
শেষ আপডেট: 4 July 2020 18:30
প্যাডি গ্রুপের কনসিউমার মার্কেটিং বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট লিজা নিকলিন বলেছেন, বর্তমানে গ্লোবাল ওয়ার্মিং বা বিশ্বায়ন চিন্তার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে সমগ্র বিশ্বের জন্য। ক্রমবর্ধমান প্লাস্টিকের ব্যবহারে সামুদ্রিক প্রাণীদের যেমন মৃত্যু ঘটছে, তেমনই পরিবেশ দূষণও হচ্ছে মাত্রাতিরিক্ত। সমুদ্রের জলে বর্জ্য প্লাস্টিক, খাবার ক্যান, প্লাস্টিকের বোতল জমা হচ্ছে। সেই কারণে সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। সামুদ্রিক প্রাণীদের পেটে যাচ্ছে ওই প্লাস্টিক। কিছুদিন আগেই বিরল প্রজাতির এক তিমি মাছের পেট থেকে কয়েকটন প্লাস্টিক বের হয়েছিল। লিজা বলেছেন, স্কুবা ডাইভাররা জলের তলা থেকে বর্জ্য প্লাস্টিক কুড়িয়ে আনবেন, সেই প্লাস্টিককেই বিশুদ্ধ করে বিশেষ পদ্ধতিতে পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তোলা হবে। তাই দিয়েই ফেস-মাস্ক বানাবেন বিশেষজ্ঞরা। এই কাজে ডাক্তার ও বিজ্ঞানীরাও এগিয়ে এসেছেন বলে জানিয়েছেন লিজা। তাঁর কথায়, এখনও অবধি ৫০০ টনের বেশি প্লাস্টিক রিসাইকল করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রিসাইকলড প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি ফেস মাস্কে তিনটি স্তর রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে থাকবে বিশেষ ছাঁকনি, যা ভাইরাস ড্রপলেটগুলো ছেঁকে বার করে দিতে পারে। পাশাপাশি, এই ফেস-মাস্কের উপাদান ত্বকের কোনও ক্ষতি করবে না।
করোনা মোকাবিলায় প্লাস্টিকের পুনর্ব্যবহার করা হচ্ছে অনেক জায়গাতেই। নেদারল্যান্ডের একটি সংস্থা বর্জ্য প্লাস্টিক রিসাইকল করে তার থেকে পার্সোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই)তৈরি করছে। ইংল্যান্ডের ফ্লোট ডিজিটাল প্লাস্টিকের বোতল পুনর্ব্যবহার করে ৩ডি-প্রিন্ট ফেস-শিল্ড তৈরি করছে।
ফিলিপিন্সের বায়ুসেনা বর্জ্য প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার করেই ফেস-মাস্ক ও ফেস-শিল্ড তৈরি করেছে। অন্যদিকে, উগান্ডায় পিপিই-র ঘাটতি পূরণের জন্য প্লাস্টিক রিসাইকল করেই স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য ফেস-মাস্ক, পিপিই তৈরি করা হচ্ছে।