Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল?

একুশের শেষে ভারতে প্রতি দিনে কোভিড আক্রান্ত বাড়বে আড়াই লাখের বেশি, সম্ভাব্য গাণিতিক হিসেবে দাবি এমআইটির

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কোভিড ভ্যাকসিন যদি কার্যকরী না হয় এবং সংক্রমণ মোকাবিলার জন্য সঠিক স্বাস্থ্য পরিকাঠামো সব রাজ্যে গড়ে না ওঠে তাহলে আগামী বছর শীতের শেষে প্রতি দিনে সংক্রমণ বৃদ্ধি কী পর্যায়ে যেতে পারে তার একটা সম্ভাব্য গাণিতিক হিসেব দিয়েছে ম্

একুশের শেষে ভারতে প্রতি দিনে কোভিড আক্রান্ত বাড়বে আড়াই লাখের বেশি, সম্ভাব্য গাণিতিক হিসেবে দাবি এমআইটির

শেষ আপডেট: 7 July 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কোভিড ভ্যাকসিন যদি কার্যকরী না হয় এবং সংক্রমণ মোকাবিলার জন্য সঠিক স্বাস্থ্য পরিকাঠামো সব রাজ্যে গড়ে না ওঠে তাহলে আগামী বছর শীতের শেষে প্রতি দিনে সংক্রমণ বৃদ্ধি কী পর্যায়ে যেতে পারে তার একটা সম্ভাব্য গাণিতিক হিসেব দিয়েছে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি)। এমআইটির হিসেবে একুশের শীতের শেষে দিন প্রতি কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষ ৮৭ হাজার করে বাড়তে পারে। এমনটাই দাবি করেছেন এমআইটির দুই অধ্যাপক হাজির রহমানদাদ ও জন স্টারম্যান। যদিও গবেষকদের বক্তব্য, বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে একটা সম্ভাব্য গাণিতিক মডেল তৈরি করা হয়েছে। এখন কী হারে সংক্রমণ বাড়ছে, কোভিড টেস্ট কী পরিমাণে হচ্ছে, রাজ্যগুলির স্বাস্থ্য পরিকাঠামো কেমন, আক্রান্ত মানুষদের সংস্পর্শে কতজন আসছে, অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যা ও রিকভারি রেট কত, কোভিড পজিটিভিটি রেট কত—সবকিছু বিচার করেই এই গাণিতিক মডেল বানানো হয়েছে। সবকিছুই যে পুরোপুরি মিলবে তেমনটা নয়,তবে সম্ভাবনা রয়েছে। অধ্যাপক রহমানদাদের কথায়, ভারত শুধু নয় আগামী বছরের শেষের দিকে করোনা সংক্রমণের হার বাড়তে বারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইরান, ইন্দোনেশিয়া, ব্রিটেন, নাইজেরিয়া, তুরস্ক, ফ্রান্স ও জার্মানিতে। বিশ্বের কোভিড আক্রান্ত দেশগুলির সাম্প্রতিক পরিসংখ্যাণ দেখে ৮৪টি দেশের কোভিড পরিস্থিতি বিচার করে ‘এই ডায়ানামিক এপিডেমোলজিক্যাল মডেল’ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাজির রহমানদাদ। তিনি জানান, এই হিসেব কষতে তিনটি বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রথমত-দেশের বর্তমান কোভিড টেস্টিংয়ের সংখ্যা এবং সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ। দ্বিতীয়ত- জুলাই থেকেই যদি প্রতিদিন ০.১% হারে কোভিড টেস্টিং বাড়ানো হয়। আক্রান্তদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইসোলেট করা যাবে। তৃতীয়ত-কনট্যাক্ট রেট যদি বেড়ে ৮ এ পৌঁছয়। অর্থাৎ একজন কোভিড পজিটিভ রোগীর থেকে কম করেও আট জন আক্রান্ত হয়। একজন আক্রান্তের সংস্পর্শ থেকে কতজনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াবে এই অনুপাতের উপরেও দৈনিক বৃদ্ধির হার নির্ভর করে। ভারতে ইতিমধ্যেই দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে গড়ে ২০ থেকে ২৫ হাজারের মধ্যে। মোট সংক্রামিত সাড়ে সাত লাখের কাছাকাছি চলে এসেছে। এমআইটির গবেষকদের দাবি, গত ১৮ জুনের হিসেবে ভারত-সহ ৮৪টি দেশে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুর যে হিসেব দেখানো হয়েছিল সেটা সরকারি তথ্যের থেকেও যথাক্রমে ১১.৮ ও ১.৪৮ গুণ বেশি। গবেষকদের আরও দাবি, সব দেশে যে হারে সংক্রমণ বাড়ছে তাতে স্পষ্ট মানুষের মধ্যে হার্ড ইমিউনিটি (Herd Immunity) এখনও তৈরি হয়নি। হার্ড কথার অর্থ হল জনগোষ্ঠী আর ইমিউনিটি মানে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। সমাজের বেশিরভাগ মানুষের শরীরে যদি সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো শক্তপোক্ত প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে ওঠে, তাহলেই বলা যেতে পারে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হয়েছে। এই হার্ড ইমিউনিটি আসতে পারে ভ্যাকসিনে, ওষুধে বা কোনও থেরাপিতে। সমাজের একটা অংশে যদি সংক্রমণ রোখার মতো ইমিউন সিস্টেম তৈরি হযে যায়, তাহলে বাকি অংশই পরোক্ষে সুরক্ষিত হবে। অর্থাৎ সংক্রমণ গোষ্ঠী স্তরে ছড়িয়ে পড়তে পারবে না। ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়াবার শৃঙ্খলটা ভেঙে যাবে। এমআইটির গবেষকরা বলছেন, করোনায় হার্ড ইমিউনিটি এখনও দেখা যায়নি। যদি সেটা তৈরি হয়ে যায় তাহলে সংক্রমণ বৃদ্ধির এই হার কমে যাবে। মানুষ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি পেয়ে যাবে। সেই মুহূর্ত থেকেই দুর্বল হতে শুরু করবে করোনা।

```