
শেষ আপডেট: 15 December 2020 18:30
করোনায় মৃত্যু আরও কমেছে দেশে। দৈনিক মৃত্যু পাঁচশো ছাড়িয়ে যাচ্ছিল। কয়েকদিন ধরে সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা পাঁচশোর নিচে নেমে গিয়েছে। আজ দেখা গেল, গত ২৪ ঘণ্টায় ভাইরাসের সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৩৮৭ জনের। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাঁচ মাস পরে মৃতের সংখ্যাও ধীরে ধীরে কমছে। মৃত্যুহার আরও কমে ১.৪৫ শতাংশে পৌঁছেছে। এই মৃত্যুহার এক শতাংশের নিচে নামানোই লক্ষ্য স্বাস্থ্যমন্ত্রকের।
দেশে 'এফেক্টিভ রিপ্রোডাকশন নম্বর' তথা 'আর-নম্বর' আবারও কমেছে। গত সপ্তাহে এই আর নম্বরই বেড়ে ০.৯২ পযেন্টে পৌঁছেছিল, এ সপ্তাহে ০.৯১ পয়েন্টে নেমে গিয়েছে। দিল্লিতে কোভিড সংক্রমণ মাত্রা ছাড়ানোর পরে দেশের আর-নম্বরও বাড়তে শুরু করেছিল। একটা সময় আর নম্বর একের ওপরে উঠে গিয়েছিল। এখন ফের তা একের নিচে নেমে গিয়েছে। আর-নম্বর একের নিচে নামানোই লক্ষ্য স্বাস্থ্যমন্ত্রকের। তবেই করোনা ট্রান্সমিশন রেট তথা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার হার কমবে। অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যাও কমে যাবে। কিন্তু দেশের কয়েকটি রাজ্য তথা কেরল, কর্নাটক, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশে আর-নম্বর চিন্তার কারণ। রাজস্থানে এখন আর-নম্বর একের নিচে নেমে গেছে। কর্নাটকে আর-নম্বর ০.৯৩ পয়েন্ট থেকে বেড়ে ১.০৮ পয়েন্টে পৌঁছেছে। কেরলে গত সপ্তাহে ছিল ০.৯১, এ সপ্তাহে ফের বেড়ে হয়েছে ০.৯৪।
https://twitter.com/ICMRDELHI/status/1339049762482388992
৯৪ লাখের বেশি করোনা রোগী সংক্রমণ সারিয়েছেন দেন। সুস্থতার হার ৯৫ শতাংশ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের সংখ্যা কমিয়ে রিয়েল টাইম আরটি-পিসিআর টেস্ট বাড়াতে হবে। ৪০ শতাংশের বেশি র্যাপিড টেস্ট করা যাবে না। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ জানিয়েছে দেশে কোভিড টেস্টের সংখ্যা আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ১৫ কোটির বেশি করোনা পরীক্ষা হয়েছে। গতকালই নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১১ লাখের কাছাকাছি।