
শেষ আপডেট: 22 December 2020 18:30
গবেষকরা বলছেন, টিকার ডোজ যদি সঠিকমাত্রায় শরীরে ঢোকে তাহলে ‘মেমরি-বি’ কোষ তৈরি হয়। এই কোষের কাজ হল সংক্রামক ভাইরাসকে চিনে রাখা। ‘অ্যাডাপটিভ ইমিউন রেসপন্স’ তৈরি করা। মেমরি-বি কোষ বিভাজিত হয়ে যে অ্যান্টিবডি তৈরি করবে তার কার্যকারিতা থাকবে অনেকদিন। বিশেষত, পরবর্তীকালে যদি একই রকম সংক্রামক ভাইরাস শরীরে ঢোকে তাহলে মেমরি-বি কোষ আগে থেকেই সক্রিয় থাকায় প্রতিরোধ শক্তি জাগিয়ে তুলতে পারবে। করোনার যে কোনও প্রতিষেধকের কাজই হল এই মেমরি-বি কোষকে সক্রিয় করে তোলা। সেই সঙ্গেই যদি টি-কোষ বা টি-লিম্ফোসাইট কোষ অ্যাকটিভ হয় তাহলে সংক্রামক ভাইরাল স্ট্রেন সমেত আস্ত কোষকেই নষ্ট করে দেওয়া সম্ভব।
করোনাভাইরাসের যতগুলি স্ট্রেনের জিনের বিন্যাস বের করা সম্ভব হয়েছে তার সবকটি থেকেই প্রায় আট মাস সুরক্ষা দিতে পারবে প্রতিষেধক। বিজ্ঞানীদের দাবি তেমনটাই। আর করোনার নতুন স্ট্রেন ভ্যাকসিনের ওপর খুব একটা প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ এই নতুন স্ট্রেন দ্রুত গতিতে ছড়াতে পারে, কিন্তু জটিল সংক্রমণ ঘটাতে পারে কিনা সেটা এখনও জানা যায়নি। জার্মানির বায়োটেকনোলজি রিসার্চ সেন্টার বায়োএনটেক যদিও দাবি করেছে, তাদের টিকায় নতুন ভাইরাল স্ট্রেনকে নিষ্ক্রিয় করে ফেলা সম্ভব। যদি প্রয়োজন হয় তাহলে আরএনএ টেকনোলজিতে নতুন প্রতিষেধকও তৈরি করতে পারবে বায়োএনটেক। এই নতুন প্রতিষেধক যে কোনও মিউট্যান্ট বা জিনগতভাবে পরিবর্তিত ভাইরাল স্ট্রেনকে নষ্ট করতে সক্ষম হবে।