
শেষ আপডেট: 5 June 2023 13:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তারস্বরে চিৎকার। চোখ গোলগোল করে চাকরি খাওয়ার হুঙ্কার। ইঙ্গিতপূর্ণ বিশেষণ। স্পষ্ট বাংলা উচ্চারণে দেখে নেওয়ার হুঁশিয়ারি। নাহ। কোনও রাজনৈতিক সংঘাত নয়। পাড়ার কাউন্সিলরের সঙ্গে জনৈকের কথাকাটাকাটিও নয়। এটি এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের সেলস বিভাগের আধিকারিকদের অনলাইন বৈঠকের দৃশ্যপট।
রবিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল মিনিট দুয়েকের একটি ভিডিও। তাতে দেখা গিয়েছিল, এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের সেলসের বস তাঁর অধস্তনদের সঙ্গে জুম কলে কী অবভ্যতাই করছেন। বিমা বিক্রি, কারেন্ট এবং সেভিংস অ্যাকাউন্টস খোলাতে না পারার জন্য তাঁর অধীনে কর্মরতদের যা নয় তাই বলছেন। সেই আধিকারিক পুষ্পল রায়ের মুখভঙ্গি, গলার আওয়াজ দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘এই লোকটা মানসিকভাবে সুস্থ তো?’
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পরেই পদক্ষেপ করল বেসরকারি ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। এইচডিএফসি কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের জন্য পুষ্পলকে সাসপেন্ড করেছে। এবার এই ঘটনার বিভাগীয় তদন্ত শুরু করেছে এইচডিএফসি। যদিও এ নিয়ে পুষ্পলের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বনাথ নামের এক অধস্তনের কাছে পুষ্পল জানতে চাইছেন, তিনি শেষ কয়েকদিনে কতগুলি সেভিংস ও কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলাতে পেরেছেন। বিশ্বনাথকে প্রথমে জুম কলে দেখা যাচ্ছিল না। তখন তাঁর উদ্দেশে পুষ্পল বলেন, ‘আরে এই বিশ্বনাথ। তোকে দেখতে পাচ্ছি না কেন? তোর থোবড়টা দেখা!’ তারপর বিশ্বনাথ যখন দিন ধরে তাঁর হিসাব দিচ্ছেন তখন আরও চটে গিয়ে পুষ্পল বলেন, ‘১৫টা করে খুলতে বলেছিলাম। তুই আমায় পাঁচটা-দশটার হিসাব দিচ্ছিস? আমায় কি তোর ** (লেখার অযোগ্য) মনে হয়?’
ওই দু’মিনিটে আরও কয়েকজন অধস্তনকে ধমকানো চমকানোর দৃশ্য দেখা গিয়েছিল। শেষপর্যন্ত মেজাজ নিয়ন্ত্রণে না রাখতে পারা পুষ্পলকে সাসপেন্ড করে দিল এইচডিএফসি। অনেকের মতে, হতে পারে এই সেলস এক্সিকিউটিভের ব্যবহারের কারণে অধস্তনদের মনে পুষে রাখা রাগ ছিল। ভিডিও ভাইরাল করে সেটারই বহিঃপ্রকাশ ঘটানো হয়েছে। এখন দেখার অন্যের চাকরি খাওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া পুষ্পলের নিজের চাকরি থাকে কিনা।
রাজ্যপাল ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ করেছিলেন, চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা