Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল?

নেতাজি ও আইএএন-র স্মৃতি বিজড়িত স্থানগুলোতে 'পর্যটন কেন্দ্র' করার ভাবনা সরকারের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৯৪৩ সালের ২১ অক্টোবর, অধিকৃত সিঙ্গাপুরে আজাদ হিন্দের (INA) অস্থায়ী সরকারের ঘোষণা করেছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু (Netaji Subhash Chandra Bose)। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষভাগে এই অস্থায়ী সরকারের ব্যানারে ব্রিটিশের কবল থেকে ভা

নেতাজি ও আইএএন-র স্মৃতি বিজড়িত স্থানগুলোতে 'পর্যটন কেন্দ্র' করার ভাবনা সরকারের

শেষ আপডেট: 25 October 2021 12:20

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৯৪৩ সালের ২১ অক্টোবর, অধিকৃত সিঙ্গাপুরে আজাদ হিন্দের (INA) অস্থায়ী সরকারের ঘোষণা করেছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু (Netaji Subhash Chandra Bose)। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষভাগে এই অস্থায়ী সরকারের ব্যানারে ব্রিটিশের কবল থেকে ভারতকে মুক্ত করার সংগ্রাম শুরু করেছিলেন। এই সংগ্রামের আগের ও পরের ইতিহাস সবারই জানা। এই সরকার গঠনের বার্ষিকীকে স্মরণীয় করে রাখার অভিনব উদ্যোগ নিল কেন্দ্র সরকার। কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তরফে দেশের মধ্যে একটি সুভাষচন্দ্র বসু ও আইএনএ-র স্মৃতি বিজড়িত স্থানগুলো ঘুরিয়ে দেখানোর পরিকল্পনা করছে। ভারতের মধ্যে যেসব স্থানের সঙ্গে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ওতোপতো সম্পর্ক জড়িত সেইসব স্থানগুলি প্রচারের উদ্দেশ্যেই এই ভাবনা। জাতীয় পর্যায়ে কেন্দ্রীয় সরকারের এহেন পদক্ষেপ প্রথম। মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার কথায়, "এই জাতীয় জায়গাগুলোকে শনাক্ত করা হয়েছে। সেই জায়গাগুলোর জন্য নির্দিষ্ট রুট প্রস্তাবিত করা হয়েছে। আমরা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর সঙ্গে সংযুক্ত গন্তব্যগুলিকে কভার করে এমন ভ্রমণপথ তৈরি করেছি। নেতাজি সম্পর্কিত এই জায়গাগুলো প্রচার করার জন্য ভ্রমণপথগুলি দেশের বিভিন্ন ট্যুর অপারেটরদের দেওয়া হবে।" এরমধ্যে কিছু জায়গা বৌদ্ধ সার্কিটের আয়তায় আসবে, যা পর্যটন মন্ত্রক বিভিন্ন কেন্দ্রীয় মন্ত্রক এবং বিহার ও উত্তর প্রদেশ সরকারের সহযোগিতায় তৈরি করছে। এখনও পর্যন্ত মোটামুটি তিনটি রুট প্রস্তাবিত করা হয়েছে। দিল্লি-মিরাট-ডালহৌসি-দিল্লি-সুরাত রুট, কলকাতা-নাগাল্যান্ড-মণিপুর রুট এবং কটক-কলকাতা-আন্দামান রুট। নেতাজির জীবনের উল্লেখযোগ্য সময় কাটানোর জায়গাগুলোকে চিহ্নিত করে এই রুট ম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। দিল্লি-মিরাট-ডালহৌসি-দিল্লি-সুরাত রুটে মিরাটের শহীদ স্মারক, ডালহৌসির কাইন্যান্স বিল্ডিং যেখানে নেতাজি প্রায় সাত মাস কাটিয়েছিলেন, সুরাতের হরিপুরা যেখানে তিনি আইএনএ-র সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। এইসব স্থান পর্যটকদের ঘুরিয়ে দেখানো হবে। আরও পড়ুনঃ অমিত শাহ বুলেটপ্রুফ শিল্ড সরিয়ে দিলেন, শ্রীনগরের সভা মঞ্চে অন্য ছবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অন্যটি হল কলকাতা-নাগাল্যান্ড-মণিপুর রুট। এর মধ্যে রাউজাজো গ্রামের একটি সফর অন্তর্ভুক্ত থাকবে যা নেতাজি ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে অভিযানের সময় মুক্ত করেছিলেন এবং এটিকে আইএনএ-র অপারেশনাল ঘাঁটি বানিয়েছিলেন। এই গ্রামে প্রচুর আইএনএ-র প্রত্নবস্তু পাওয়া যায়। মণিপুরের সফরে মইরাং অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যেখানে ১৯৪৪ সালে আইএনএ-র পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। অন্য যে রুটটি মন্ত্রকের পরিকল্পনায় স্থান পেয়েছে তা হল কটক-কলকাতা-আন্দামান রুট। এর মধ্যে রয়েছে কটকে নেতাজির শৈশবের বাড়ি, তাঁর প্রথম স্কুল-স্টুয়ার্ট স্কুল এবং তাঁর উচ্চ বিদ্যালয়-রাভেনশো কলেজিয়েট স্কুল। এই সফরে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ এবং নেতাজি ভবন অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এই রুটের আন্দামানের অংশটিতে পোর্ট ব্লেয়ারের নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু দ্বীপ পরিদর্শন অন্তর্ভুক্ত থাকবে, এখানেও ১৯৪৩ সালে আইএনএ তাদের পতাকা উত্তোলন করেছিল। আজাদ হিন্দ সরকার গঠনের বার্ষিকী উদযাপনের জন্য সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রক ভারত ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ২১ অক্টোবর পর্যন্ত ধারাবাহিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। নেতাজির স্মরণে এটি একটি চলমান উদ্যোগ। এই উদ্যোগটি আগামী বছর ২৩ জানুয়ারি নেতাজির জন্মবার্ষিকীতে একটি বিশাল অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে। পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'

```