
শেষ আপডেট: 25 October 2021 12:20
এখনও পর্যন্ত মোটামুটি তিনটি রুট প্রস্তাবিত করা হয়েছে। দিল্লি-মিরাট-ডালহৌসি-দিল্লি-সুরাত রুট, কলকাতা-নাগাল্যান্ড-মণিপুর রুট এবং কটক-কলকাতা-আন্দামান রুট। নেতাজির জীবনের উল্লেখযোগ্য সময় কাটানোর জায়গাগুলোকে চিহ্নিত করে এই রুট ম্যাপ তৈরি করা হয়েছে।
দিল্লি-মিরাট-ডালহৌসি-দিল্লি-সুরাত রুটে মিরাটের শহীদ স্মারক, ডালহৌসির কাইন্যান্স বিল্ডিং যেখানে নেতাজি প্রায় সাত মাস কাটিয়েছিলেন, সুরাতের হরিপুরা যেখানে তিনি আইএনএ-র সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। এইসব স্থান পর্যটকদের ঘুরিয়ে দেখানো হবে।
আরও পড়ুনঃ অমিত শাহ বুলেটপ্রুফ শিল্ড সরিয়ে দিলেন, শ্রীনগরের সভা মঞ্চে অন্য ছবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
অন্যটি হল কলকাতা-নাগাল্যান্ড-মণিপুর রুট। এর মধ্যে রাউজাজো গ্রামের একটি সফর অন্তর্ভুক্ত থাকবে যা নেতাজি ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে অভিযানের সময় মুক্ত করেছিলেন এবং এটিকে আইএনএ-র অপারেশনাল ঘাঁটি বানিয়েছিলেন। এই গ্রামে প্রচুর আইএনএ-র প্রত্নবস্তু পাওয়া যায়। মণিপুরের সফরে মইরাং অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যেখানে ১৯৪৪ সালে আইএনএ-র পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল।
অন্য যে রুটটি মন্ত্রকের পরিকল্পনায় স্থান পেয়েছে তা হল কটক-কলকাতা-আন্দামান রুট। এর মধ্যে রয়েছে কটকে নেতাজির শৈশবের বাড়ি, তাঁর প্রথম স্কুল-স্টুয়ার্ট স্কুল এবং তাঁর উচ্চ বিদ্যালয়-রাভেনশো কলেজিয়েট স্কুল। এই সফরে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ এবং নেতাজি ভবন অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এই রুটের আন্দামানের অংশটিতে পোর্ট ব্লেয়ারের নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু দ্বীপ পরিদর্শন অন্তর্ভুক্ত থাকবে, এখানেও ১৯৪৩ সালে আইএনএ তাদের পতাকা উত্তোলন করেছিল।
আজাদ হিন্দ সরকার গঠনের বার্ষিকী উদযাপনের জন্য সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রক ভারত ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ২১ অক্টোবর পর্যন্ত ধারাবাহিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। নেতাজির স্মরণে এটি একটি চলমান উদ্যোগ। এই উদ্যোগটি আগামী বছর ২৩ জানুয়ারি নেতাজির জন্মবার্ষিকীতে একটি বিশাল অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'