উৎসবের মরসুমে করোনা বাড়ছে, ঠাসাঠাসি ভিড়ে সংক্রমণ ঊর্ধ্বে, সতর্ক করছেন কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞরা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কোভিডের (Covid) তৃতীয় ঢেউ আসবে কিনা সে নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ছিল। কিন্তু এখন উৎসবের এই ভরা মরসুমে সিঁদুরে মেঘই দেখছে কেন্দ্রের কোভিড টাস্ক ফোর্স (Covid Task Force)। কেরলের ওনাম উৎসবের পরে যেভাবে সংক্রমণের জোয়ার এসেছিল, ফের এ
শেষ আপডেট: 15 October 2021 05:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কোভিডের (Covid) তৃতীয় ঢেউ আসবে কিনা সে নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ছিল। কিন্তু এখন উৎসবের এই ভরা মরসুমে সিঁদুরে মেঘই দেখছে কেন্দ্রের কোভিড টাস্ক ফোর্স (Covid Task Force)। কেরলের ওনাম উৎসবের পরে যেভাবে সংক্রমণের জোয়ার এসেছিল, ফের একবার দেশে এমনই লাগামছাড়া কোভিড সংক্রমণ দেখা দেবে কিনা সে নিয়ে চিন্তা বাড়ছে। বিশেষ করে দিল্লি, মহারাষ্ট্র ও পশ্চিমবঙ্গে।
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এখনও দেশের বেশ কিছু প্রান্তে সক্রিয় রয়েছে। সংক্রমণের গ্রাফও প্রায় প্রতি দিন ওঠা-নামা করছে। কোভিড পজিটিভিটি রেট তথা সংক্রমণের হার আগের থেকে কমলেও এই উৎসবের মরসুমে ফের তা ঊর্ধ্বমুখী। গণেশ পুজো থেকে শুরু হয়েছে, দুর্গাপুজো, নবরাত্রি একের পর এক উৎসবের ধাক্কায় ফের কোভিড কার্ভ লাগামছাড়া হয়ে যাচ্ছে বলেই আশঙ্কা করছে কেন্দ্রের কোভিড প্যানেল। বিশেষ করে দিল্লি ও পশ্চিমবঙ্গে এখনই করোনা গ্রাফ বেড়েছে। সংক্রমণের হারও আগের থেকে বেশি।
গোটা বাংলা দুর্গাপুজোর আনন্দে মাতোয়ারা। কলকাতা সহ জেলায় জেলায় করোনা বিধিকে প্রায় বুড়ো আঙুল দেখিয়েছে মণ্ডপে ভিড় জমিয়েছেন মানুষজন। মুখে মাস্ক নেই, সোশ্যাল ডিস্টেন্সিং মানার বালাই নেই। ছোট বাচ্চাদের হাত ধরেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরছেন অভিভাবকেরা। পজিটিভিটি রেট ২.৭৪ শতাংশ থেকে এক ধাক্কায় বেড়ে হয়েছে ২.৯৩ শতাংশ। শুধু কলকাতাতেই নতুন করে ১০২ জন করোনা রোগীর সন্ধান মিলেছে। উৎসবের দিনগুলিতে টিকাকরণ বন্ধ আছে, কোভিড টেস্টও হচ্ছে না, এদিকে সংক্রমণের হার বেড়েই চলেছে।
নীতি আয়োগের সদস্য (স্বাস্থ্য) ডাঃ ভি কে পল বলছেন, অ্যাসিম্পটোমেটিক রোগীর সংখ্যা বাড়ছে দেশে। উপসর্গহীন রোগীদের থেকে রোগ ছড়াবার আশঙ্কা প্রবল। তার মধ্যে উৎসবের সময় ভিড়, জমায়েতও হচ্ছে। তাই কোভিড আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২০ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের মধ্যেই অ্যাসিম্পটোম্যাটিক বা উপসর্গহীন করোনা রোগীদের খোঁজ বেশি মিলেছে। আইসিএমআর তাদের সমীক্ষায় জানিয়েছিল, দেশে উপসর্গহীনদের সংখ্যা ৬৯-৮০ শতাংশের মধ্যে। গত বছর মে মাসেই ৪০ হাজার করোনা রোগীকের শনাক্ত করা হয়েছিল যাদের শরীরে সংক্রমণের কোনও লক্ষণ ছিল না। এখন এই সংখ্যা বেড়েছে। উৎসবের মরসুম কাটলে করোনার ঢেউ আছড়ে পড়বে কিনা সে নিয়ে রীতিমতো উদ্বেগে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'