
শেষ আপডেট: 2 April 2020 18:30
মারণ ভাইরাস বিটা-করোনার এই স্ট্রেন সার্স-কভ-২ কীভাবে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে একজনের থেকে অন্যজনের শরীরে সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। এই নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যেও নানা মত রয়েছে। দ্বিধা তৈরি হয়েছে যে বিষয়টা নিয়ে তা হল, ভাইরাসের সংক্রমণ হাওয়ায় (অ্যারোসল) ছড়ায় কিনা। করোনাভাইরাস এয়ার ড্রপলেটে ছড়াতে পারে এই বিষয়ে গবেষণার রিপোর্ট সামনে এনেছিলেন ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (CDC), লস এঞ্জেলসের বিজ্ঞানীরা । নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিন (NEJM)বিজ্ঞান পত্রিকায় ওই গবেষণার রিপোর্ট ছাপা হয়েছিল।
নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনের রিপোর্টকে সামনে রেখেই হু বলেছিল, আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশি-থুতু-লালাকে আধার বানিয়ে অর্থাৎ ‘রেসপিরেটারি ড্রপলেট’-এর মাধ্যমে এক শরীর থেকে অন্য শরীরে ছড়াচ্ছে ভাইরাস। কিন্তু, এই রেসপিরেটারি ড্রপলেট এতটাই ভারী যে এটি বাতাসে বেশিক্ষণ ভেসে থাকতে পারে না। মাটিতে বা কোনও সারফেসে জমে থাকে। কিন্তু যদি আক্রান্ত ব্যক্তির খুব কাছাকাছি কেউ থাকে (এক মিটারের কম দূরত্বে) তাহলে সেই ড্রপলেট সুস্থ ব্যক্তির শরীরের সংস্পর্শে এসে ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটায়। আর এইভাবেই মানুষের থেকে মানুষে সংক্রমণ (Human to Human Transmission) সবচেয়ে বেশি হচ্ছে।
গবেষক লিদিয়া বলছেন, যে কোনও আকারের রেসপিরেটারি ড্রপলেটই হোক না কেন, ভাইরাসকে সঙ্গে নিয়ে সেই ড্রপলেট বহুদূর অবধি ছুটে যেতে পারে। সার্স-কভ-২ এমনভাবেই নিজেকে বদলেছে, যে এটি হাওয়াতে কয়েক ঘণ্টা বেঁচে থাকতে পারে। মানুষের শরীরে ঢুকতে পারলে সেখানে তার ইনকিউবেশন পিরিয়ড ৭-১৪ দিন অথবা ২৫ দিন। কাজেই সচেতনতা অনেক বেশি দরকার।