দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত মার্চের শেষে এইচডিএফসি ব্যাঙ্কে চিনের পিপলস ব্যাঙ্ক অব চায়নার শেয়ার ছিল ১.০১ শতাংশ। জুনের শেষে চিনের ব্যাঙ্কটি অন্তত এক শতাংশ শেয়ার বেচে ফেলেছে বলে জানা গেল। আগামী দিনে চিনের সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক আদৌ হাউসিং ডেভলপমেন্ট ফিনান্স কর্পোরেশনে কোনও শেয়ার রাখবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ আছে।
কয়েকমাস আগে ভারতের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল, এইচডিএফসি-র শেয়ারের একাংশ সম্ভবত খোলা বাজারে বেচতে চায় পিপলস ব্যাঙ্ক অব চায়না। শুক্রবার দিনের শুরুতে মুম্বইয়ের শেয়ার বাজারে এইচডিএফসি-র শেয়ারের দাম কমে যায় ২.২ শতাংশ। গত জানুয়ারিতে এইচডিএফসি-র শেয়ারের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছিল। এপ্রিলে তা ৪০ শতাংশ নেমে আসে। এখন ফের কিছু বেড়েছে।
গত আর্থিক বছরে ধীরে ধীরে এইচডিএফসি-তে শেয়ার বাড়িয়েছিল চিন। গত এপ্রিলে ভারতীয় সংস্থায় বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে কড়াকড়ি করে মোদী সরকার। কারণ আশঙ্কা করা হয়েছিল, করোনা অতিমহামারীর সুযোগে বিদেশিরা কম দামে ভারতীয় সংস্থাগুলি কিনে নেওয়ার চেষ্টা করবে।
লাদাখে চিন সীমান্তে গত কয়েক মাস ধরে সৃষ্টি হয়েছে উত্তেজনা। ভারতের গালওয়ান উপত্যকার কিছুটা জমি নিজের বলে দাবি করেছে চিন। উত্তেজনা চরমে পৌঁছায় গত ১৫ জুন রাতে। ওই সময় দু'পক্ষের সেনা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ২০ জন ভারতীয় সেনা নিহত হয়। চিনেরও ৪৫ জন সেনা নিহত হয়েছে বলে জানা যায়। এর পরে অর্থনৈতিক দিক থেকে চিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় ভারত। এদেশে চিনের ৫৯ টি অ্যাপ নিষিদ্ধ করা হয়। সেই সঙ্গে জানিয়ে দেওয়া হয়, আগামী দিনে ভারতের কোনও হাইওয়ে প্রকল্পে চিনে সংস্থাকে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না।