Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
প্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরা

SIR: সিইও দফতরের সামনে ব্যাপক উত্তেজনা, বিএলও সংগঠনের সঙ্গে বচসায় সজল ঘোষরা

সিইও দফতরের সামনে সজল ঘোষরা গেলে তৃণমূলপন্থী বিএলও-দের সঙ্গে তাঁদের বচসা বাঁধে। অভিযোগ, বিজেপি নেতাদের তরফ থেকে উস্কানিমূলক মন্তব্য করা হয়েছে। 

SIR: সিইও দফতরের সামনে ব্যাপক উত্তেজনা, বিএলও সংগঠনের সঙ্গে বচসায় সজল ঘোষরা

ফাইল ছবি

নিশান্ত চৌধুরী

শেষ আপডেট: 25 November 2025 00:41

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার এসআইআরের (SIR) জন্য অতিরিক্ত কাজের চাপের প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন বিএলও-রা (BLO)। সিইও দফতরে গেছিলেন তারা। তবে সিইও দেখা তো করেনইনি উল্টে তাঁর কর্মচারীরা গরু, ছাগলের মতো আচরণ করেছেন এই অভিযোগে সিইও দফতরের মেঝেতে বসে বিক্ষোভ শুরু করেন রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা, যাঁরা বর্তমানে কমিশনের বিএলও হিসেবে নিযুক্তরা। তবে মধ্যরাতে উত্তেজনা আরও বাড়ে যখন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ (Sajal Ghosh) সহ আরও অনেকে সেখানে যান।

সিইও দফতরের সামনে সজল ঘোষরা গেলে তৃণমূলপন্থী (TMC) বিএলও-দের সঙ্গে তাঁদের বচসা বাঁধে। অভিযোগ, বিজেপি নেতাদের তরফ থেকে উস্কানিমূলক মন্তব্য করা হয়েছে। এসআইআরের কাজের চাপের প্রতিবাদে স্লোগান তোলা হলে পাল্টা বিজেপির তরফে এসআইআরের পক্ষে স্লোগান দেওয়া হয় বলে দাবি। সেই ইস্যুতেই ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।

বিজেপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বিএলও-দের বচসার মাঝে সজল ঘোষ দাবি করেন, এখানে যারা রয়েছেন তাদের অধিকাংশ বিএলও-ই নন, তারা তৃণমূলের লোক! এরপরই তাঁদের বিরুদ্ধে শুরু হয় স্লোগান।

সজল ঘোষ মূলত অভিযোগ করেছেন যে, তৃণমূলের লোকেরা সিইও দফতরে এসে বিক্ষোভ দেখিয়ে কার্যত এসআইআর-এর কাজ বন্ধ করতে চাইছেন। যারা আদতে এসে বিক্ষোভ করছেন তারা কেউ বিএলও নন, তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য এই কাজে বিঘ্ন ঘটানো। সেই কারণেই তারা এসে দফতরের সামনে পাল্টা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। যদিও সজল ঘোষের এই অভিযোগ মানতে চাননি বিক্ষোভরত বিএলওরা।

তাদের পাল্টা দাবি, রাজ্যে একাধিক এমন ঘটনা ঘটেছে যার জন্য দায়ী এসআইআর। অনেক সাধারণ মানুষ আতঙ্কে এবং বিএলও-রা মারা গেছেন এই কাজের অত্যাধিক চাপের জন্য। তাই তারা সিইও অফিসের সামনে এসে বিক্ষোভ দেখাতে বাধ্য হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, রাজ্যে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (SIR) পর্ব চলছে। আর সেই চাপেই যেন কার্যত জেরবার বুথ লেভেল অফিসাররা (BLO)। একের পর এক অসুস্থতা, আত্মহত্যা—শাসক থেকে প্রশাসন, কোথাও যেন থামছে না বিতর্ক। এই অবস্থাতেই পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার কলেজ স্কোয়ার থেকে মিছিল করে রাজ্য নির্বাচন দফতরে (Election Commission, West Bengal) যান বিএলও-রা।

প্রায় দু'ঘণ্টা অপেক্ষার পর হঠাৎই সিইও দফতরের এক কর্মী বলেন, আপনাদের সঙ্গে সিইও-র দেখা হবে না এরপরই শিক্ষকদের বের করে দিতে বলেন তিনি। যা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিএলও অধিকার রক্ষা কমিটির সদস্যরা। তাঁরা প্রশ্ন তোলেন, "এভাবে কথা বলছেন কেন? ইলেকশন কমিশনের অফিস তো বিজেপির পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছে। বিজেপি নেতাদের সুরে কথা বলছেন দফতরের কর্তারা। আমরা কি গরু ছাগল নাকি? এভাবে বেরিয়ে যাওয়ার কথা বলেন কি করে?"

প্রতিবাদে সিইও দফতরের মেঝেতে বসে বিক্ষোভ শুরু করেন বিএলওরা। পরে পুলিশ দিয়ে সেখান থেকে তাঁদের টেনে হিঁচড়ে বের করে দেওয়া হয়।


```