Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'এটা কাটতে পারব না', জাতীয় পতাকার রঙের ফিতে দেখে পিছু হটলেন ওমর, মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসায় নেটপাড়া‘সবচেয়ে অসুখী বোধ করছিলাম, শিক্ষাক্ষেত্রে প্রায় পুকুর চুরির মতো ব্যাপার ঘটছিল বলে’প্রকাশিত সিবিএসই দশম শ্রেণির ফলাফল! পাশের হারে ছেলেদের টেক্কা মেয়েদের, শীর্ষে কোন শহর? নববর্ষে পারিবারিক সেলিব্রেশন, তার মাঝেই ইন্ডাস্ট্রির উন্নতির প্রার্থনা অপরাজিতারনববর্ষে রাজ্যপালের মুখে ‘পরিবর্তনের’ ডাক! ‘লাটসাহেব’কে নিয়ে ছেড়ে কথা বললেন না মমতাওস্যালাড খেলেই সুস্বাস্থ্য নয়! ভুলেও কাঁচা খাবেন না এই ৩ সবজি, কারণ জানুনইরানকে কি অস্ত্র দিচ্ছে চিন? শি জিনপিংয়ের চিঠির পর জল্পনা ওড়ালেন ট্রাম্প'দেশু ৭'-এ অনির্বাণ, এবার ‘বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা’য় কোন নায়কের এন্ট্রিতে চমক?এখনই সুরাহা নেই, রান্নার গ্যাসের আকাল চলতে পারে আরও ৪ বছর! দুশ্চিন্তা বাড়বে ভারতের আমজনতার: সূত্রলোকসভার আসন বেড়ে হচ্ছে ৮৫০, কতটা লাভ বাংলার? সবচেয়ে বেশি ও কম সিট বাড়ছে কোন রাজ্যে?

চিটফান্ড তদন্তে বাধা দেওয়া ও তথ্য লোপাটের প্রমাণ রয়েছে রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে: অন্তর্বর্তী সিবিআই প্রধান

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারকে সৎ, নিষ্ঠাবান এবং সাহসী অফিসার বলে রবিবার মন্তব্য করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সংবাদসংস্থা এএনআই জানাচ্ছে, এ দিন সন্ধ্যায় অন্তর্বর্তী সিবিআই প্রধান এম নাগেশ্বর রাও তা

চিটফান্ড তদন্তে বাধা দেওয়া ও তথ্য লোপাটের প্রমাণ রয়েছে রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে: অন্তর্বর্তী সিবিআই প্রধান

শেষ আপডেট: 3 February 2019 17:42

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারকে সৎ, নিষ্ঠাবান এবং সাহসী অফিসার বলে রবিবার মন্তব্য করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সংবাদসংস্থা এএনআই জানাচ্ছে, এ দিন সন্ধ্যায় অন্তর্বর্তী সিবিআই প্রধান এম নাগেশ্বর রাও তাঁদের জানিয়েছেন, চিটফান্ড কেলেঙ্কারির তথ্য ও প্রমাণ লোপাট করেছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার। এ ব্যাপারে তাঁদের কাছে প্রমাণ রয়েছে। এএনআই ও একটি বেসরকারি চ্যানেলকে দেওয়া টেলিফোন-সাক্ষাৎকারে নাগেশ্বর রাও বলেছেন, চিটফান্ড তদন্তে এর আগে রাজ্য সরকার স্পেশাল ইনভেস্টিগেটিং টিম গঠন করেছিল। তার নেতৃত্বে ছিলেন রাজীব কুমার। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চিটফান্ড মামলার তদন্তভার পেয়েছিল সিবিআই। নাগেশ্বর রাওয়ের কথায়, রাজীব কুমারের নেতৃত্বে এসআইটি তদন্ত করার সময় প্রচুর নথিপত্র, কম্পিউটার, ইলেকট্রনিক তথ্য ও প্রমাণ, সিডিআর ইত্যাদি বাজেয়াপ্ত করেছিল। সিবিআই তদন্ত ভার হাতে পাওয়ার পর এসআইটি সেগুলি তাঁদের হস্তান্তর করেনি। গত কয়েক বছর ধরে এ জন্য তাঁরা রাজীব কুমার ও রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছেন। কিন্ত তাতেও লাভের লাভ কিছুই হয়নি। সেই কারণেই তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তার পর সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, সবাই যেন তদন্তে সহযোগিতা করে। এএনআই ও ওই বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে নাগেশ্বর রাও আরও জানিয়েছেন, তদন্ত সংক্রান্ত অনেক তথ্য প্রমাণ এখনও আটকে রাখা হয়েছে, বা সেগুলি নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এই প্রসঙ্গেই রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, এই পরিস্থিতিতে উপায়ন্তর না দেখেই রাজীব কুমারের বাড়ি গিয়েছিলেন সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা। শনিবার সন্ধ্যাতেই সিবিআই সূত্রকে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছিল, চিটফান্ড কেলেঙ্কারির তদন্তে নেমে রাজীব কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে সিবিআই। চব্বিশ ঘন্টা পর রবিবার সন্ধ্যায় সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা পৌঁছে গিয়েছিলেন মধ্য কলকাতার লাউডন স্ট্রিটে কলকাতার পুলিশ কমিশনারের সরকারি বাসভবনে। কিন্তু তাঁদের বাধা দেয় কলকাতা পুলিশ। সিবিআইয়ের ডেপুটি সুপারিনটেন্ডেন্ট তথাগত বর্ন সহ বাকি অফিসারদের জোর করে টেনে হিঁচড়ে গাড়িতে তুলে শেক্সপিয়ার সরণী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের সেখানে আটক করে রেখে পরে ছেড়ে দেয় পুলিশ। ওই ঘটনার পর পরই পুলিশ কমিশনারের বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, কোনওরকম সার্চ ওয়ারেন্ট না এনে সিক্রেট অপারেশন করতে এসেছিল সিবিআই টিম। একই দাবি করেন, কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার প্রবীণ ত্রিপাঠি। যদিও কলকাতা স্থিত সিবিআইয়ের জয়েন্ট ডিরেক্টর পঙ্কজ শ্রীবাস্তব দাবি করেন, তাঁদের কাছে যথাযথ কাগজপত্র ছিল। কিন্তু তা পুলিশ দেখেনি। তাঁদের সঙ্গে কলকাতা পুলিশ সহযোগিতা করেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। শ্রীবাস্তবের পাশাপাশি এর পরই মুখ খোলেন সিবিআইয়ের অন্তর্বতী প্রধান এম নাগেশ্বর রাও। যেহেতু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই সিবিআই তদন্ত করছে, তাই এই অসহযোগিতা ও হেনস্থার বিরুদ্ধে তাঁরা কাল সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবেন বলেও জানিয়েছেন নাগেশ্বর রাও।

```