
শেষ আপডেট: 19 December 2022 18:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আবাস যোজনার (Abas Yojana) তালিকায় গরিব মানুষ বঞ্চিত হলে, ওই ব্লকের আধিকারিক-সহ তৃনমূলের সব নেতাকে (TMC Leader) গাছে বেঁধে রাখা হবে! রাজগঞ্জের একটি বিক্ষোভ জমায়েতে এই ভাষাতেই হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি বাপী গোস্বামী (BJP Leader)।
সম্প্রতি আবাস যোজনার তালিকায় ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে রাজ্যের নানা প্রান্তে। সব জায়গাতেই দেখা গেছে, যাঁদের প্রকৃত প্রয়োজন, তাঁরাই বাদ গেছেন ঘর পাওয়ার তালিকা থেকে। তার বদলে তৃণমূলের নেতারা তাঁদের পছন্দের লোকের নাম তালিকায় রেখেছিলেন বলে দাবি সর্বত্র। এ জন্য তাঁরা কাটমানিও নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। এর ফলে প্রকৃত গরিব মানুষ এই সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে অভিযোগ।
এই দাবিতেই আজ, সোমবার রাজগঞ্জের বিডিও অফিসে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখিয়ে স্মারকলিপি দেয় বিজেপি।
ওই ঘেরাও কাণ্ডের সামনের সারিতে ছিলেন বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি বাপী গোস্বামী। তিনি এদিন বলেন, আবাস যোজনার তালিকায় ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। প্রকৃত প্রাপকদেরর নাম তালিকায় নেই। এক শ্রেণির আধিকারিকদের সাহায্য নিয়ে তৃণমূল নেতারা এই কাজ করেছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, 'এর প্রতিবাদে আমরা জলপাইগুড়ি জেলার বেশ কিছু অঞ্চল অফিস তালা দিয়ে দিয়েছি। আজ আমরা রাজগঞ্জ বিডিও অফিসেও স্মারকলিপি দিলাম। আমরা হুঁশিয়ারি দিচ্ছি, এবার যদি নামের তালিকায় কোনও গন্ডগোল থাকে, তবে আমরা ওই আধিকারিক এবং তৃণমূল নেতাদের চিহ্নিত করে গাছে বেঁধে রাখব।'
এই কথা শুনে যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায় পাল্টা মন্তব্য করেন, 'বাপী গোস্বামীর কথা আর হুতুমপ্যাঁচার নকশা-- দুইই একই রকম। তৃণমূলকে বিজেপি কোনওদিনই বাঁধতে পারবে না। কারণ গত বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই ওদের রাজনৈতিক পতন শুরু হয়ে গেছে, ওরা এখন কোমায় চলে গেছে। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরে ওদের মৃত্যু হবে। যুব তৃণমূল বিজেপির এক একটা নেতার স্মরণসভার আয়োজন করবে তখন।'
সবজি রান্না করছিলেন বিচারাধীন বন্দি, মেরে ভাঙা হল হাত-পা! জলপাইগুড়ির জেলে হইচই