
শেষ আপডেট: 13 July 2020 10:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো : সোমবার কংগ্রেস দাবি করেছে, রাজস্থানে তাদের সরকার ফেলার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু সেই বিপদ এড়ানো গিয়েছে। ২০০ আসনবিশিষ্ট রাজস্থান বিধানসভায় সরকার গড়তে হলে চাই ১০১ টি আসন। এদিন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলোটের নির্দেশে তাঁর বাসভবনে জড়ো হন কংগ্রেস বিধায়করা। তাঁদের সঙ্গে বৈঠকের শেষে ভিকট্রি সাইন দেখান গেহলোট। তিনি বলেন, ১০৬ জন বিধায়ক কংগ্রেসের পক্ষে আছেন। কিন্তু শচিন পাইলট এখনও বলে যাচ্ছেন, রাজস্থানে গরিষ্ঠতা হারিয়েছে কংগ্রেস।
গেহলোট এদিন তাঁদের বিধায়কদের বাসে চড়িয়ে পাঠিয়ে দিয়েছেন রিসর্টে। শচীন দাবি করেছেন, তাঁর পক্ষে আছেন ৩০ জন বিধায়ক। সেই দাবি উড়িয়ে দিয়ে কংগ্রেস বলেছে, বড় জোর ১৬ জন বিধায়ক তাঁর সঙ্গে আছেন। শচীনকে দলে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে কংগ্রেস।
রাজস্থানে দলের সংকট মেটাতে এদিন দিল্লি থেকে জয়পুরে গিয়েছেন কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা। তিনি সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, শচীন পাইলটের জন্য দলের দরজা খোলা আছে। তিনি আমাদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন। সুরজেওয়ালা বলেন, তিনি দলের সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীর বার্তা নিয়ে রাজস্থানে এসেছেন।
শচীন পাইলট গত শনিবার গিয়েছেন দিল্লিতে। সুরজেওয়ালা বলেন, সনিয়া ও অপর কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে শচীনের নিয়মিত যোগাযোগ আছে। তাঁর সঙ্গে কথা বলে বিরোধ মিটিয়ে নেওয়া হবে। শচীনও এদন সকালে জানিয়ে দেন, তিনি বিজেপিতে যাচ্ছেন না।
রাজস্থানে মুখ্যমন্ত্রী না হতে পেরে আগে থেকেই অসন্তুষ্ট ছিলেন শচীন। গত রাজ্যসভা ভোটের পরে পুলিশ তাঁকে ডেকে পাঠায়। পুলিশের বক্তব্য, তারা ফোনে আড়ি পেতে শুনেছে, শচীন রাজস্থানে সরকার ফেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন। পুলিশ ডেকে পাঠানোয় শচীন খুবই অসন্তুষ্ট হন। যদিও অশোক গহলৌত ব্যাপারটায় খুব একটা গুরুত্ব দিতে চাননি। তিনি বলেন, পুলিশ আমাকেও অমন সমন পাঠিয়েছে।
রাজস্থানে বিজেপির বিধায়কের সংখ্যা ৭৩। সরকার গড়তে হলে তাদের ৩৫ জন বিধায়কের সমর্থন লাগবে। কিন্তু বিজেপির পক্ষে শচীনকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ অফার করা সম্ভব কিনা তা নিয়ে সন্দেহ আছে। কারণ তারা ক্ষমতায় এলে অবশ্যই মুখ্যমন্ত্রী পদের জোরালো দাবিদার হবেন বসুন্ধরা রাজে।