
শেষ আপডেট: 8 November 2023 15:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আফগানিস্তানের দিকে ম্যাচ জয়ের পাল্লা তখন বেশ ভারী। অস্ট্রেলিয়ার ৮ উইকেট পড়ে গিয়েছে। ব্যাট করছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও প্যাট কামিন্স। তাঁরা আর কতক্ষণই বা আফগান বোলারদের সামনে টিকে থাকবেন! এমনই আশঙ্কা শোনা যাচ্ছিল ক্রিকেট সমর্থকদের মুখে। কিন্তু শেষ অবধি খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তুলেছেন তাঁরাই। ম্যাক্সের মারমুখী ব্যাটিং আর কামিন্সের হিমশীতল মস্তিষ্ক নিয়ে ক্রিজে টিকে থাকা, এতেই বাজিমাত হয়ে যায়। কিন্তু এই অতিমানবীয় ইনিংসের সময়েই পায়ে চোট পান ম্যাক্স। তারপরেও কেন রানার নিলেন না তিনি? প্রশ্ন উঠছে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে।
মঙ্গলবার রাতে পায়ে প্রবল ক্র্যাম্প সহ্য করেই ব্যাটিং করেছেন ম্যাক্সওয়েল। এক পায়ে ভর করেই রান নিচ্ছিলেন বাইশ গজে। এবারের বিশ্বকাপে বেশ কয়েকবার লজ্জাজনক হারের মুখে পড়েছে টিম অস্ট্রেলিয়া। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধেও যাতে সেটা না হয়, তার জন্য মরিয়া লড়াই চালিয়েছেন ম্যাক্স। আর সেই জন্য পায়ে দুঃসহ যন্ত্রণা সহ্য করেই খেলে গিয়েছেন শেষ পর্যন্ত।
কখনও দাঁতে দাঁত চেপে সিঙ্গল রান নিয়েছেন। আর বেশিরভাগ সময় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে চার-ছয়ের ঝড় তুলেছেন ওয়াংখেড়েতে। তবুও তিনি রানার নেওয়ার অনুমতি পাননি। প্রশ্ন উঠছে, এত যন্ত্রণা সত্ত্বেও কেন রানার নিতে পারলেন না ম্যাক্স?এই প্রশ্নের উত্তর রয়েছে আইসিসির নিয়মাবলীর মধ্যেই। আজ নয়, সেই ২০১১ সালেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আহত ব্যাটারদের রানার দেওয়ার প্রথা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
তবে একাধিক দেশ নিজেদের ঘরোয়া টুর্নামেন্টে এখনও রানার প্রথা চালু রেখেছে। তবে এমন নিয়ম বন্ধ করার প্রসঙ্গে আইসিসি সেসময় যে কারণ দেখিয়েছিল, তা হল রানার থাকলে মাঠের মধ্যে ফিল্ডারদের বাধা পড়ে। সেসময় প্রাক্তন অজি অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্কও রানার প্রথা উঠিয়ে দেওয়ার পক্ষেই সওয়াল করেছিলেন। এরপরই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বন্ধ হয়ে যায় আহত ব্যাটারদের রানার নেওয়া।