দ্য ওয়াল ব্যুরো: সাধে কী আর মেগা ফাইনাল বলা হচ্ছিল এই ম্যাচটিকে। ইতালি ও ইংল্যান্ড, দুটি ইউরোপের মহাশক্তিধর দেশ কেউ কাউকে জমি ছাড়বে না, জানাই ছিল। তবুও রবিবার ইউরো কাপ ফাইনালের ম্যাচে প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডকে বেশি জমাট লাগছে।
টান টান উত্তেজনা, ওয়েম্বলি স্টেডিয়াম কানায় কানায় পূর্ণ। গ্যালারিতে ইংল্যান্ড রাজপরিবারের সদস্য যুবরাজ প্রিন্স উইলিয়ামস ও তাঁর স্ত্রী ক্যাথি। প্রাক্তন ফুটবলারদের মধ্যে গ্যালারিতে রয়েছেন ডেভিড বেকহ্যাম, ওয়েন রুনি, ল্যাম্পার্ডরা।
ঘরের মাঠের দর্শক সমর্থন কাজে লাগিয়ে ব্রিটিশ ঝড় শুরু থেকেই। ইতালি রক্ষণ চাপে পড়ে গিয়েছে। প্রথমবারের মতে ইউরো ফাইনালে উঠেই বাজিমাত করতে যাচ্ছে ইংলিশরা। ম্যাচের দুই মিনিটে কর্নার কিক পায় ইতালি। কর্নার থেকে ভেসে আসা বল ক্লিয়ারই করা নয় শুধু নিজেদের নিয়ন্ত্রণেও ধরে রাখে ইংল্যান্ড। উঠে যায় কাউন্টার অ্যাটাকে।
ইতালির বক্সের ডান পাশ থেকে বাঁ পাশে লম্বা পাস দেন কিয়েরান ট্রিপিয়ার। দ্রুত গতিতে এগিয়ে আসা লুক শ ডান পায়ের দুর্দান্ত এক শট নেন তাতে। মুহূর্তেই বলটি জড়িয়ে গিয়েছে ইতালির জালে।
বুকাইয়ো সাকার পরিবর্তে কেন কোচ গ্যারেথ সাউথগেট কিয়েরান ট্রিপিয়ারকে মাঠে নামালেন, সেটা শুরুতেই বুঝিয়ে দিলেন অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের এই মিডফিল্ডার। তাঁর ঠিকানা লেখা নিখুঁত পাসে যেভাবে বাঁ-পায়ের শটে ইতালির জালে বল জড়ালেন, তা রীতিমত বিস্ময়কর।
শুরু থেকেই ইতালি এবং ইংল্যান্ড গতিময় ফুটবল উপহার দেওয়া শুরু করেছে। প্রতি মুহূর্তেই বল ছুটে চলেছে মাঠের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত। যে কারণে প্রথম মিনিটেই গোলের চেষ্টা ইতালির। হ্যারি ম্যাগুইরে কর্নারের বিনিময়ে সে চেষ্টা প্রতিহত করেন।
কিন্তু সেই কর্নার কিকই যে ইতালির জন্য উল্টে বিভীষিকা হয়ে দেখা দেবে, তা কে জানতো? কাউন্টার অ্যাটাকে গোল দিয়ে গিয়েছে ইংল্যান্ড।
ইংল্যান্ড : জর্ডান পিকফোর্ড, কাইল ওয়াকার, লুক শ, ডেকলান রাইস, জন স্টোনস, হ্যারি ম্যাগুইরে, হ্যারি কেন, রহিম স্টার্লিং, কেলভিন ফিলিপস, ম্যাসন মাউন্ট, কিয়েরান ট্রিপিয়ার।
ইতালি : জিয়ানলুইজি ডোনারুমা, লরেঞ্জো, বোনুচ্চি, কিয়েল্লিনি, এমারসন, বারেল্লা, জোরজিনহো, ভেরাত্তি, চিয়েসা, সিরো ইমোবিলে, ইনসিগনে।