Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল?

ক্রিকেট বেটিং চক্রে সব হারিয়ে মা ও বোনকে খুন করল ইঞ্জিনিয়ার ছাত্র

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ক্রিকেট বেটিংয়ের মতো দুষ্ট চক্রে পড়ে কত মানুষের কত ক্ষতিই না হয়েছে সদ্য সমাপ্ত আইপিএলেই। অনেকেই সব হারিয়ে আত্মহননের পথও বেছে নিয়েছেন। কিন্তু হায়দরাবাদে গত ২৩ নভেম্বর এমন এক হাড়হিম ঘটনা ঘটেছে, যা সবাইকে নতুন করে ভাবাচ্ছে। ত

ক্রিকেট বেটিং চক্রে সব হারিয়ে মা ও বোনকে খুন করল ইঞ্জিনিয়ার ছাত্র

শেষ আপডেট: 30 November 2020 14:41

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ক্রিকেট বেটিংয়ের মতো দুষ্ট চক্রে পড়ে কত মানুষের কত ক্ষতিই না হয়েছে সদ্য সমাপ্ত আইপিএলেই। অনেকেই সব হারিয়ে আত্মহননের পথও বেছে নিয়েছেন। কিন্তু হায়দরাবাদে গত ২৩ নভেম্বর এমন এক হাড়হিম ঘটনা ঘটেছে, যা সবাইকে নতুন করে ভাবাচ্ছে। তাও আবার এমন এক যুবক এই কান্ড ঘটিয়েছে, যে আবার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছে। ২৩ বছরের এম টেক ছাত্র সাইনাথ রেড্ডি সে ক্রিকেট বেটিংয়ে মায়ের অ্যাকাউন্ট থেকে ২০ লক্ষ টাকা সরিয়ে খাটিয়েছিল। সেই অর্থ সবটাই বেটিংয়ে হেরে নিঃশেষ হয়ে যায়। সেই নিয়ে মা সুনিথা (৪৪ বছর) ও একমাত্র বোন অনুজা রেড্ডি (২২) তাকে প্রশ্ন করায় ওই যুবক সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে যেমন করেই হোক মা ও বোনকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেবে। স্থানীয় পুলিশের পক্ষ থেকে মুম্বইয়ের নামী এক দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলা হয়েছে, সাইনাথ ওই যুবক তার মা ও বোনের খাবারে কীটনাশক মিশিয়ে দিয়েছিল এবং তাঁরা দুজন অচেতন হয়ে পড়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেছে। মৃত্যু নিশ্চিত, এটা জেনে তারপর দুজনকে হাসপাতালে নিয়ে গেছে এই তরুণ। এই ঘটনায় আত্মীয়রাই সাইনাথকে সন্দেহ করে পুলিসের হাতে তুলে দেন। এরপরই ঘটনা স্বীকার করে ওই মেধাবী ছাত্রটি। মেদচল পুলিশ হত্যা ও প্রমাণ লুকোনোর দায়ে যুবককে গ্রেপ্তারও করেছে। মেদচল পুলিশ ইন্সপেক্টর এম প্রবীণ রেড্ডি জানিয়েছেন, ‘‘পাল্লি সাইনাথ রেড্ডি এম-টেকের ছাত্র। দ্বিতীয় বর্ষে পড়ুয়া এই ছাত্র ক্রিকেট নিয়ে বাজির নেশায় পড়েছিল। তার বাবা প্রভাকর রেড্ডি তিন বছর আগেই মারা গিয়েছেন। মা সুনিথা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। বোন অনুজা ফার্মাসি ম্যানেজমেন্ট নিয়ে পড়াশুনো করছিলেন। প্রভাকরের মৃত্যুর পর জীবনবিমা থেকে প্রাপ্ত অর্থের সঙ্গে নিজেদের কিছু সম্পত্তি বিক্রি করে সেটা ব্যাঙ্কে জমা রেখেছিলেন সাইনাথের মা। তাঁর নামেই অ্যাকাউন্ট করা ছিল। কিন্তু বেটিংয়ের নেশায় মত্ত ওই ছেলেটি মা-কে না জানিয়েই পুরো ২০ লাখ টাকা তুলে নেয় অ্যাকাউন্ট থেকে এবং পুরোটাই বেটিংয়ে ঢালে।’’ বেটিংয়ের টাকা শোধ করতে তারপর মায়ের বহু গয়নাও বিক্রি করে দেয়। তারপর সেটি জানাজানি হয়ে যেতে ছেলেটির মা ও বোন সেই নিয়ে তাকে প্রশ্ন করায় সে চটে যায়। এই নিয়ে বাড়িতে মাঝেমধ্যেই নানা অশান্তি হতো। এই ব্যাপারে ছেলেকে শাসন করেন মা এবং ক্রিকেট বেটিং ছাড়ার কথা বলেন। সাইনাথ এরপরই সব সম্পত্তি বেটিংয়ে ঢালতে মা ও বোনকে খুন করার পরিকল্পনা করে। গত ২৩ নভেম্বর কীটনাশক কিনে এনে রাতের খাবারে মিশিয়ে দেয়। সেইসময় মা টিভি দেখছিলেন নিজের ঘরে বসে। একটা বেসরকারী সংস্থায় চাকরি করা ওই ছেলেটি রাতের খাবার নিয়ে অফিসে চলে যায়। খাবার খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন সুনিথা ও তাঁর কন্যা। বারবার ছেলেকে ফোন করছিলেন মা সুনিথা, কিন্তু আগে থেকে মোবাইল বন্ধ করে রেখেছিল গুনধর ছেলে। পরেরদিন সকাল ৯টায় ফোন চালু করতেই মায়ের মেসেজ দেখে। দাদা সাইনাথ তখন বোনকে ফোন করলে অনুজা জানান, তাঁদের দুজনের অবস্থা ভাল নয়। সে যেন দ্রুত বাড়িতে ফেরে। ঘরে ফিরেও মা ও বোনকে সংজ্ঞাহীন দেখেও সাইনাথ বলে ছেলেটি হাসপাতালে নিয়ে যায়নি। তারপর প্রতিবেশীরা দেখে ফেলে এই ভয়ে তারপর সে হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতাল সূত্রে বলা হয়, দেরি করে আসার জন্যই ওই দুই জন মারা গিয়েছেন, না হলে এতে তাঁদের বাঁচানো যেত। তাও হাসপাতাল খুবই চেষ্টা করেছিল ওঁদের বাঁচানোর। গত ২৭ নভেম্বর মারা গেছেন বোন অনুজা। তাঁর মা মারা গেছেন পরদিনই।

```