Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল?

কাজের ফাঁকে পাওয়ার ন্যাপ? প্রণববাবুও নিতেন, তা কতটা ভাল, কতটা খারাপ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাজের ফাঁকে পাওয়ার ন্যাপ অনেকেই নেন। শোনা যায়, প্রণব মুখোপাধ্যায় যখন কেন্দ্রে মন্ত্রী ছিলেন, তখন দুপুরে খাওয়ার পর আড়াইটে তিনটে নাগাদ একটা আধ ঘণ্টার পাওয়ার ন্যাপ নিতেন। সংসদের অধিবেশন চললে সেই সুযোগ কম হত। কিন্তু সে ছাড়া এ

কাজের ফাঁকে পাওয়ার ন্যাপ? প্রণববাবুও নিতেন, তা কতটা ভাল, কতটা খারাপ

শেষ আপডেট: 22 September 2021 06:17

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাজের ফাঁকে পাওয়ার ন্যাপ অনেকেই নেন। শোনা যায়, প্রণব মুখোপাধ্যায় যখন কেন্দ্রে মন্ত্রী ছিলেন, তখন দুপুরে খাওয়ার পর আড়াইটে তিনটে নাগাদ একটা আধ ঘণ্টার পাওয়ার ন্যাপ নিতেন। সংসদের অধিবেশন চললে সেই সুযোগ কম হত। কিন্তু সে ছাড়া এই রুটিন ছিল বাঁধা ধরা। ঘনিষ্ঠদের উনি বলতেন, ‘এই যে ঘুমিয়ে নিলাম, রাত ২টো পর্যন্ত আর ঘুম আসবে না’। ব্যাপারটা ষোলআনা সত্যি। কারণ রাত ১টা পর্যন্ত বাড়ির অফিসে উনি কাজ করতেন। নেতাদের সঙ্গে দরকারে বৈঠক করতেন। তার পর স্নান করে খেয়ে ঘুমোতে যেতেন। এই যে দুপুর হলেই দু'চোখ জুড়ে ঘুম নেমে আসে তা ভাল নাকি মন্দ সে নিয়ে চর্চার শেষ নেই। কেউ বলেন দিবানিদ্রা একেবারে ভাল নয়, আবার কারও মত দুপুরে খাওয়ার পরে বা কাজের ফাঁকে কিছুক্ষণের জন্য ন্যাপ নেওয়া মোটেই মন্দ নয়। বাড়িতে থাকলে ভাতঘুম (Nap) দিতেই মন চায়। বাঙালি তো আবার ভাতঘুম ছাড়া ভাবতেই পারে না। ওদিকে অফিসে লাঞ্চের পরেই চোখ জুড়ে একরাশ ঘুম নেমে আসে। শরীরে যেন এলিয়ে পড়তে চায়। একটু জমাটি লাঞ্চ হলে তো কথাই নেই, তখন বড়বড় চোখে চেয়ে কাজে মন দেওয়াটা দুঃস্বপ্নের মতো। অফিসে বসের নজর এড়িয়ে পাওয়ার ন্যাপ দিতে গিয়ে কতজন যে হুঙ্কারের মুখে পড়েছেন তার ইয়ত্তা নেই। কিন্তু আর না। এখন মাথা উঁচু করে সগর্বে জানিয়ে দিন দিবানিদ্রা মোটেও খারাপ নয়। পাওয়ার ন্যাপ তো শরীরের মেডিসিনের মতো। তার যে কত উপকারিতা তা ধরে ধরে ব্যাখ্যা করেছেন গবেষকরা। তবে হ্যাঁ ন্যাপটা যেন ন্যাপের মতোই থাকে। বাড়িতে ভাতঘুম দিতে গিয়ে সেটা যদি কয়েক ঘণ্টা পেরিয়ে যায় তাহলে খারাপ। ন্যাপ ভাল, কতটা দিচ্ছেন তার ওপরে সবটা নির্ভর করছে। Here is why you need a power nap! - Times of India

কাজের ফাঁকে আলতো ঘুম

ন্যাপ মানে ঠিক ঘুম নয়, ওই ঘুমের জাতভাই আর কী! কয়েক মিনিটের জন্য একটু ঝিমুনি। আর তাতেই শরীরে এনার্জির হাওয়া বাতাস খেলে। এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের। সময় ধরে যদি পাওয়ার ন্যাপ নেওয়া যায় তাহলেই নিমেষে শরীর-মন চাঙ্গা। বেড়ে যায় কর্মদক্ষতা, স্মৃতিশক্তি। ইনসমনিয়া বা কম ঘুমের সমস্যায় ভোগেন যাঁরা, তাঁদের জন্য পাওয়ার ন্যাপ তো মহৌষধির মতো। Power Naps >> 7 Reasons Why You Should Take a Nap Now! গবেষকরা বলেন, ঘুম কম হলে আমাদের শরীরে কর্টিসল হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। এই হরমোনর প্রভাবে বেড়ে যায় মানসিক চাপ। দিনের বেলা অল্প সময়ের জন্য হলেও যদি ন্যাপ নেওয়া যায়, তাহলে কর্টিসলের ক্ষরণ কমাতে সাহায্য করে। ফলে স্ট্রেস কমে যায়। How To Power Nap And Why You Should Start একটানা কাজের ফাঁকে হাল্কা ন্যাপ নিলে একঘেয়েমি কাটে। একাগ্রতা বাড়ে, সৃজনশীলতাও। আরও বেশি করে কাজে মন দেওয়া যায়, উদ্যম ও উৎসাহ দুই বাড়ে। একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, প্রতিদিন অন্তত ২০ মিনিটের পাওয়ার ন্যাপ নিলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে। এক ঘণ্টা ন্যাপ নিলে অনেক বেশি মনে রাখা যায়। পাওয়ার ন্যাপের আরও উপকারিতা আছে—নজরদারি করার ক্ষমতা বাড়ে, পঞ্চইন্দ্রিয় সজাগ ও সক্রিয় হয়, উচ্চ রক্তচাপও বশে থাকে। The Benefits of Power Napping at Your Day Job – Tommy John

কতক্ষণ ন্যাপ দেব?

ক্লান্তি কাটিয়ে চাঙ্গা হওয়ার জন্য ২০ থেকে ২৫ মিনিটের ভাতঘুম আদর্শ। অনেকেই কাজের ফাঁকে টুক করে ২০ মিনিটের একটি বিরতি নিয়ে ঘুমিয়ে নেন। কিন্তু লম্বা ভাতঘুম দিতে গেলেই মুশকিল। সেটাই যত নষ্টের গোড়া। ২৫ মিনিটের বেশি যদি ঘুমিয়ে পড়েন, তাহলে ওঠার পর আরও ক্লান্ত লাগবে, আরও বেশি ঘুম পাবে এবং কাজে কিছুতেই মন বসবে না। দীর্ঘক্ষণ ন্যাপ দিলে অনেকে আবার স্লিপ ইনারশিয়ায় ভোগেন। দিনে বেশি ঘুমোলে রাতে কিছুতেই ঘুম আসতে চায় না। সতর্কতা ও এনার্জি বাড়ানোর জন্য ১০ থেকে ২০ মিনিটের পাওয়ার ন্যাপ আদর্শ। ঘুম থেকে ওঠা সহজ হয় এবং স্ট্যামিনাও বাড়ে। ঘটনা, চেহারা ও নাম মনে রাখার জন্য এই ৬০ মিনিটের ন্যাপ সবচেয়ে উপকারী। যদিও ঘুম ভাঙার পর একটু অলস লাগে। কাজেই ভাতঘুম দিন, অফিসে ছোট ন্যাপও নিন, তবে সময় ধরে। এতে সবদিকই বহাল থাকবে, নাক ডাকিয়ে লম্বা ঘুম না হয় রাতের জন্যই তোলা থাক। পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'

```