Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল?

পড়াশোনা মানুষের জীবনে আশীর্বাদের মতো: মালালা ইউসুফজাই

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মালালা ইউসুফজাই, পৃথিবীর সকলেই এই নামটা এখন এক ডাকে চেনেন। পাকিস্তানী মেয়েদের শিক্ষার দাবি নিয়ে সরব হয়েছেন মালালা। ২০১৪ সালে শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার পান তিনি। পুরস্কার পাওয়ার পর একটি ভাষণে তিনি বলেন, "আমি আমার বাবা মাকে

পড়াশোনা মানুষের জীবনে আশীর্বাদের মতো: মালালা ইউসুফজাই

শেষ আপডেট: 5 December 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মালালা ইউসুফজাই, পৃথিবীর সকলেই এই নামটা এখন এক ডাকে চেনেন। পাকিস্তানী মেয়েদের শিক্ষার দাবি নিয়ে সরব হয়েছেন মালালা। ২০১৪ সালে শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার পান তিনি। পুরস্কার পাওয়ার পর একটি ভাষণে তিনি বলেন, "আমি আমার বাবা মাকে নিঃশর্তভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই, আমাকে এতটা ভালবাসার জন্য। তাঁরা আমাকে খোলা আকাশে উড়তে দিয়েছেন, তার জন্য বাবাকে অনেক ধন্যবাদ। আমি আমার মাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, কারণ তিনি আমাকে ধৈর্য ধরতে ও সত্যের পথে চলতে শিখেয়েছেন। আমি দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করি সত্যের পথে চলাই হল ইসলামের মূল কথা। আর আমার সেই সব শিক্ষকদের ধন্যবাদ জানাতে চাই যাঁরা আমাকে সাহস দিয়েছেন, বিশ্বাস করেছেন। যাঁরা আমাকে সাহসী ও আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলেছেন। একই সঙ্গে আমি গর্বিত যে আমি পাকিস্তানের প্রথম পশতুন, আর সবচেয়ে কম বয়সী হয়েও পেয়েছি এই পুরস্কার ও সম্মান। আমি চাই সারা পৃথিবীতে শান্তি বজায় থাকুক। কিন্তু আমার ভাইয়েরা এখনও একইরকম আছে।" মালালা নিজে অনুভব করেছেন মেয়েদের শিক্ষিত হওয়ার প্রয়োজনীয়তা কতটা। তাই মেয়েদের শিক্ষার অধিকার নিয়ে তিনি লড়াই শুরু করেন। মালালা বলেন, "পড়াশোনা করতে পাওয়ার সুযোগ জীবনের একটা আশীর্বাদের মতো। জীবনে লেখাপড়ার অপরিসীম গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ১৭ বছর বয়সেই আমার মধ্যে এই উপলব্ধি এসেছে। আমি সবসময় নতুন জিনিসের অনুসন্ধান করেছি। আমার মনে আছে, আমি ও আমার বন্ধু একটি অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে হাতে মেহেন্দি লাগাতাম, তখন চেষ্টা করতাম ফুল বা অন্য নকশার বদলে অঙ্কের সূত্রগুলোকে ডিজাইনের মধ্যে দিয়ে তুলে ধরতে।" এর পাশাপাশি মালালা নিজের আরও অনেক অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন সকলের সঙ্গে। তিনি বলেন, "আমি যখন সোয়াতে বড় হয়েছি, তখন সোয়াতের পরিবেশ একেবারে আলাদা ছিল। তখন এখানে অনেক পর্যটক বেড়াতে আসতেন। কিন্তু তারপরেই হঠাৎ করে জায়গাটা সন্ত্রাসবাদীদের আখড়াতে পরিণত হয়। আমার যখম ১০ বছর বয়স, আমি তখন ৪০০র বেশি স্কুল ধ্বংস হয়ে যেতে দেখেছি। মেয়েদের ওপর সেইসময় থেকেই শুরু হয় অকথ্য অত্যাচার। আমাদের সকলের সুন্দর স্বপ্নগুলো দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছিল। মেয়েদের কাছ থেকে পড়াশোনা করার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। এক ধাক্কাতে আমার গোটা পৃথিবী বদলে যায়, বদলে যায় অগ্রাধিকারের বিষয়গুলোও। আমার হাতে সেসময় দুটো পথ ছিল। প্রথমত আমি চুপ করে অপেক্ষা করতে পারি মৃত্যুর। অথবা, আমি পারি নিজের কথা বলতে, প্রতিবাদ করতে। তারপর আমাকে যদি ওরা মেরে ফেলে তো ফেলবে! আমি সেই দ্বিতীয় পথটি বেছে নিয়েছি। প্রতিবাদ করেছি।" তিনি এই আশা নিয়ে বক্তব্য শেষ করেন যে পড়াশোনার জন্য যেন আর কোনও মেয়েকে লড়াই করতে না হয়। মালালা স্বপ্ন দেখেন এমন এক পৃথিবীর, যেখানে পড়াশোনার অধিকার সকলেই পাবে।

```