Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল?

পাকিস্তানের মানবাধিকার নেত্রী মাহরাং বালুচ টাইম পত্রিকার ১০০ শীর্ষ তালিকায়

তাঁকে এই স্বীকৃতি দেওয়া নিয়ে পাক কর্তৃপক্ষ মোটেই খুশি নয়।

পাকিস্তানের মানবাধিকার নেত্রী মাহরাং বালুচ টাইম পত্রিকার ১০০ শীর্ষ তালিকায়

মাহরাং বালুচ

শেষ আপডেট: 4 October 2024 19:11

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাকিস্তানের বালুচিস্তানে দমনপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এক নারী উঠে এলেন প্রখ্যাত টাইম পত্রিকার শীর্ষ ১০০ জনের তালিকায়। এই বিখ্যাত মানবাধিকার কর্মীর নাম মাহরাং বালুচ। যদিও তাঁকে এই স্বীকৃতি দেওয়া নিয়ে পাক কর্তৃপক্ষ মোটেই খুশি নয়। তাঁর নামে অনেকেই পশ্চিমের মালালা বলে তকমা লাগিয়ে দিয়েছেন।

কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, আরেকটি মালালায় পশ্চিমী বিনিয়োগ। কেউ লিখেছেন, ঘৃণা ছড়ানোর স্বীকৃতি দেওয়া হল মাহরাংকে। কারও মতে, বিদেশি বিনিয়োগে সুফল তো কেউ লিখেছেন, মাহরাংয়ের সব কাজই আসলে অভিনয়।

টাইম ম্যাগাজিন অবশ্য লিখেছে, বালুচদের মধ্যে আশা জাগানো এই মহিলা ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে শান্তিপূর্ণ ইসলামাবাদ মিছিলের আয়োজন করেছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল, পাক কারাগারে বন্দি এবং নিহত স্বামী, পুত্র এবং ভাইদের জন্য ন্যায়বিচার। বালুচিস্তানের স্বাধীনতার লড়াইয়ে বালুচ সম্প্রদায়ের শয়ে শয়ে মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের কোনও হদিশ দিতে পারেনি সরকার।

৩১ বছরের যুবতী মাহরাং ২০০৬ সাল থেকে বালুচ জনতার অধিকারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০০৯ সালে তাঁর বাবা গফফর লোঙ্গভে আচমকা উধাও হয়ে যান। তাঁর বাবা ছিলেন আজাদ বালুচিস্তান লড়াইয়ের রাজনৈতিক কর্মী। ২০১১ সালে নির্যাতনের চিহ্নসহ তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। ২০১৭ সালে মাহরাংয়ের ভাইও অপহৃত হন। তারপরেই সক্রিয় মানবাধিকার লড়াইয়ে নামেন মাহরাং।

২০১৯ সালে মাহরাং বালুচিস্তান ইয়েকজেঠি কমিটি স্থাপন করেন। সেই থেকে ছোট ছোট মিটিং-মিছিল করতে শুরু করেন তিনি। বালুচিস্তানের কালাতে জন্ম পেশায় ডাক্তার মাহরাংয়ের। বালুচ রেজিস্ট্যান্স মুভমেন্টেও যোগ দেন তিনি। তাঁর লড়াই ছিল মূলত নিরুদ্দেশ, নির্বিচারে খুন হওয়া মানুষের পরিবারের পক্ষে এবং অন্যান্য মানবাধিকার রক্ষার লড়াই। 


```