Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
প্রকাশিত সিবিএসই দশম শ্রেণির ফলাফল! পাশের হারে ছেলেদের টেক্কা মেয়েদের, শীর্ষে কোন শহর? নববর্ষে পারিবারিক সেলিব্রেশন, তার মাঝেই ইন্ডাস্ট্রির উন্নতির প্রার্থনা অপরাজিতারনববর্ষে রাজ্যপালের মুখে ‘পরিবর্তনের’ ডাক! ‘লাটসাহেব’কে নিয়ে ছেড়ে কথা বললেন না মমতাওস্যালাড খেলেই সুস্বাস্থ্য নয়! ভুলেও কাঁচা খাবেন না এই ৩ সবজি, কারণ জানুনইরানকে কি অস্ত্র দিচ্ছে চিন? শি জিনপিংয়ের চিঠির পর জল্পনা ওড়ালেন ট্রাম্প'দেশু ৭'-এ অনির্বাণ, এবার ‘বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা’য় কোন নায়কের এন্ট্রিতে চমক?এখনই সুরাহা নেই, রান্নার গ্যাসের আকাল চলতে পারে আরও ৪ বছর! দুশ্চিন্তা বাড়বে ভারতের আমজনতার: সূত্রলোকসভার আসন বেড়ে হচ্ছে ৮৫০, কতটা লাভ বাংলার? সবচেয়ে বেশি ও কম সিট বাড়ছে কোন রাজ্যে?নববর্ষে কলকাতা সফরে আইওসি-র শীর্ষ কর্তা, এলপিজির বাস্তব পরিস্থিতি দেখতে হাজির গ্যাসের দোকানেও৮ হাজার লিটার গঙ্গাজল, গরু আর রুপোর কলসী! ফিরে দেখা জয়পুরের মহারাজার আজব লন্ডন-সফর

সইফের উপর হামলা একজনের কাজ নয়, নেপথ্যে যুক্ত একাধিক ব্যক্তি? এ কী উঠে এল তদন্তে

সইফ আলি খানের মুম্বইয়ের ১১ তলার বাসভবনে হামলার ঘটনায় বান্দ্রা আদালত অভিযুক্ত মহম্মদ শরিফুলের পুলিশি হেফাজত ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে।

সইফের উপর হামলা একজনের কাজ নয়, নেপথ্যে যুক্ত একাধিক ব্যক্তি? এ কী উঠে এল তদন্তে

ফাইল চিত্র

শেষ আপডেট: 25 January 2025 17:21

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সইফ আলি খানের মুম্বইয়ের ১১ তলার বাসভবনে হামলার ঘটনায় বান্দ্রা আদালত অভিযুক্ত মহম্মদ শরিফুলের পুলিশি হেফাজত ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে। তবে এই ঘটনায় একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে। মুম্বই পুলিশের অনুমান, এই ডাকাতির পরিকল্পনা শরিফুলের একার নয়। ঘটনার নেপথ্যে থাকতে পারে একটি পুরো চক্র।  

পুলিশ জানিয়েছে, শরিফুল সম্ভবত কেবলমাত্র নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করেছে। তদন্তে দেখা যাচ্ছে, পূর্ব পরিকল্পনার ভিত্তিতে তাকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে শরিফুলকে জেরা করে চক্রের অন্য সদস্যদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে পুলিশ।  

তদন্তে একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে মুম্বই প্রশাসন। শরিফুল কোথা থেকে হামলায় ব্যবহৃত ধারালো ছুরি পেয়েছিল, সে বিষয়ে সে কোনও তথ্য দিচ্ছে না। পুলিশ এখনও নিশ্চিত নয়, সে নিজে এটি কিনেছিল নাকি অন্য কেউ দিয়েছিল।

এ ছাড়া সিসিটিভি ফুটেজের সাহায্যে সন্দেহভাজনের পরিচয় নিশ্চিত করার কাজ চলছে। তবে ঘটনাস্থলে ব্যবহৃত জুতোর কোনো খোঁজ মেলেনি, যা তদন্তকে আরও জটিল করে তুলেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত একাধিক প্রমাণ ইতিমধ্যেই ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অভিযুক্ত এবং সাক্ষীদের পোশাক, রক্তের নমুনা, হাতের ছাপ, এবং বাজেয়াপ্ত করা মোবাইল ফোন ও অন্যান্য সামগ্রী।  

পুলিশ বলছে, হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রের উৎস এবং শরিফুলের সঙ্গে অন্য কারা যুক্ত ছিল, তা বের করা অত্যন্ত জরুরি। এ জন্য আরও সময়ের প্রয়োজন।  আদালত তদন্তের গতিপ্রকৃতিতে সন্তুষ্ট হলেও, পুরো চক্রটি খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছে। এমন ধরনের অপরাধ দায়রা আদালতে বিচার করার মতো গুরুতর বলে মনে করা হচ্ছে।  


```