
যোগী আদিত্যনাথ।
শেষ আপডেট: 4 March 2025 11:04
যোগী আদিত্যনাথ জানান, ১৩টি আখড়ার সাধু-সন্তদের নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী ‘অমৃত স্নান’ করার কথা থাকলেও, প্রশাসন পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার উদ্দেশে সে সময় পিছিয়ে দেয়। তিনি নিজে আখড়া নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য স্নানের সময় পরিবর্তন করান। দুপুরের মধ্যেই সঙ্গম এলাকা ফাঁকা করে পুনরায় ২:৩০টায় স্নান শুরু করা হয়।
সরকারের হিসাব অনুযায়ী, এবারের মহাকুম্ভে ৬৬ কোটি তীর্থযাত্রী এসেছিলেন, যা ২০১৯ সালের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ফলে বিশাল প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়েছিল। মেলার জায়গা বাড়ানো, পার্কিংয়ের ব্যবস্থা, আশ্রয়কেন্দ্র এবং আশপাশের জেলাগুলোর পরিকাঠামো উন্নত করা শুরু হয়েছিল আগে থেকেই। ২০১৩ সালে রেলস্টেশনে পদপিষ্ট হয়ে ৪২ জন মারা যাওয়ার ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ৯টি রেলস্টেশন ও প্রয়াগরাজ বিমানবন্দরও সম্প্রসারিত করা হয়। যদিও শেষরক্ষা হয়নি তাতেও।
যোগী আদিত্যনাথ বলেন, '২৮-২৯ জানুয়ারি গভীর রাতে ৪ কোটির বেশি মানুষ মেলায় থাকা সত্ত্বেও মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে গ্রিন করিডর তৈরি করে আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়।'
পাশাপাশি তিনি জানান, মহাকুম্ভ শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি অর্থনীতিরও বড় চালিকা শক্তি। এবার ৭,৫০০ কোটি টাকা এই মেলার আয়োজনে ব্যয় হয়েছে, যার মধ্যে ৬ হাজার কোটি টাকা গেছে কেবল পরিকাঠামো উন্নয়নে। এছাড়া, পর্যটন, ব্যবসা, পরিবহণ এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে এই মেলা।
যোগী আদিত্যনাথ আরও জানান, ২০১৯ সালে মহাকুম্ভের পরিচ্ছন্নতার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। আগে অস্থায়ী শৌচাগারগুলোর কারণে মেলার পরিবেশ নোংরা হয়ে যেত, কিন্তু এবার ১ লক্ষ শৌচাগার বসানো হয়, যাতে গঙ্গা-যমুনায় এক ফোঁটা বর্জ্যও না পড়ে।