
শেষ আপডেট: 2 February 2024 15:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জ্ঞানবাপী মসজিদের তেহখানায় চলবে পুজো-আরতি। বারাণসীর জেলা আদালতের রায়ই বহাল রাখল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। মামলার শুনানি চলাকালীন জ্ঞানবাপী মসজিদের ‘সিল’ করা বেসমেন্ট ‘ব্যাস তেহখানা’-এ পুজো চালানো যাবে বলে জানিয়ে দিল উচ্চ আদালত।
গত বুধবার বারণাসীর জেলা আদালত হিন্দু পক্ষকে জ্ঞানবাপী মসজিদের তেহখানায় পুজোর অনুমতি দিয়েছে। এরপরই জ্ঞানবাপী মসজিদের বেসমেন্টে ৩১ বছর আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া পুজো ফের শুরু হয়। বুধবার মধ্যরাতে কড়া নিরাপত্তায় হয় পুজো-অর্চনা। এরপরই জেলা আদালতের বিচারক অজয়কুমার বিশ্বাসের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এলাহাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল 'অঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া (জ্ঞানবাপী) মসজিদ কমিটি'। শুক্রবার সংশ্লিষ্ট মামলার শুনানিতে হাইকোর্টে ধাক্কা খেল মুসলিম পক্ষ।
হাইকোর্টের বিচারপতি রোহিত রঞ্জন আগরওয়াল অ্যাডভোকেট জেনারেলকে মসজিদ চত্বরের বাইরে ও ভিতরে সুষ্ঠু আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। এদিন আদালত প্রশ্ন তোলে, 'কালেক্টরকে রিসিভার নিযুক্ত করার সময় কেন মুসলিম পক্ষ প্রতিবাদ করেনি?' একইসঙ্গে মসজিদ কমিটিকে আপিল সংশোধন করে জেলা জজের ১৭ জানুয়ারির আদেশকে চ্যালেঞ্জ করতে বলা হয়েছে। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি মামলাটির পরবর্তী শুনানি হবে।
প্রসঙ্গত, মসজিদ চত্বরের দক্ষিণ অংশে অবস্থিত এই 'ব্যাস কা তেহখানা'। এই অংশে আরতি ও পুজোয় আপত্তি জানিয়ে মসজিদ কমিটির তরফে বৃহস্পতিবার আবেদন জানিয়েছে মুসলিম পক্ষ। হাইকোর্টের আবেদনে বলা হয়েছে, '১৯৩৭ সালে জ্ঞানবাপী সংক্রান্ত বিবাদের রায় মুসলিমদের পক্ষেই গিয়েছিল। সেক্ষেত্রে এএসআই-কে দিয়ে সমীক্ষা করানো যায় না নতুন করে।
একইসঙ্গে মুসলিম পক্ষের দাবি, ২০২২ সালে বারণসীর আদালতের নির্দেশে করা 'অ্যাডভোকেট কমিশনার'-এর রিপোর্টকেও বারাণসী জেলা আদালতের নির্দেশে উপেক্ষা করা হয়েছে। এই মামলার দ্রুত শুনানি চেয়ে বুধবার সুপ্রিম কোর্টেও একটি পৃথক আবেদন জানিয়েছে মুসলিম পক্ষ।