
প্রতীকী চিত্র
শেষ আপডেট: 21 March 2024 19:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অযোধ্যা, জ্ঞানবাপীর পর মধ্যপ্রদেশের ভোজশালার সরস্বতী মন্দির। আগামিকাল, শুক্রবার থেকে মধ্যপ্রদেশের ধার জেলার প্রাচীন পুরাকীর্তি ভোজশালায় শুরু হতে চলেছে পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা। মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের ইন্দোর বেঞ্চ গত ১১ মার্চ, সোমবার ভারতের পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণকে (এএসআই) ধার জেলার ভোজশালায় অবস্থিত মন্দির-মসজিদ বিতর্কের অবসান ঘটাতে সমীক্ষার নির্দেশ দেয়। উল্লেখ্য, হিন্দুদের বিশ্বাস এটি একটি সরস্বতী মন্দির। অন্যদিকে, মুসলিমরা মনে করে এটি মসজিদ। দীর্ঘদিন ধরে এনিয়ে টালবাহানা চলছিল।
এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে একটি হিন্দু সংগঠন মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। তারা বাগদেবীর মন্দির বলে উল্লেখ করে এই সৌধে এএসআইয়ের বৈজ্ঞানিক সমীক্ষার আর্জি জানায়। হিন্দুদের পক্ষের আইনজীবী বিষ্ণু শঙ্কর আদালতের নির্দেশ এক্স বার্তায় জানান ওইদিন।
বিচারপতি সুশ্রুত অরবিন্দ ধর্মাধিকারী এবং দেবনারায়ণ মিশ্রের বেঞ্চ এএসআইয়ের পাঁচ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করার নির্দেশ দিয়েছে। এএসআইয়ের ডিজি কিংবা এডিজি পদের কোনও আধিকারিককে এই কমিটির নেতৃত্ব দেওয়ার কথা বলেছে বেঞ্চ। জ্ঞানবাপী মসজিদের মতোই জিপিআর-জিপিএস সমীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমীক্ষার কাজে কার্বন ডেটিং প্রক্রিয়া ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। যাতে ভোজশালার এই নির্মাণের বয়স, বিভিন্ন প্রতিকৃতি, খোদাই করা ছবির বয়স নির্ধারণ করা হবে। প্রয়োজনে সৌধে খোঁড়াখুঁড়ির অনুমতিও দিয়েছে ইন্দোর বেঞ্চ।
হিন্দুদের দাবি, ১০৩৪ খ্রিস্টাব্দে সংস্কৃত চর্চার জন্য সরস্বতীর মন্দির স্থাপিত হয় এখানে। কিন্তু পরে মুঘল সাম্রাজ্যের সময়ে তা দখল হয়। সমীক্ষা কাজের জন্য এএসআই কর্তৃপক্ষ ধার জেলা প্রশাসন ও পুলিশ কর্তাকে উপযুক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে বলেছে। উল্লেখ্য, সমীক্ষা রিপোর্ট ২৯ এপ্রিলের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।