
মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও রাধাকৃষ্ণ ডোড্ডামানি। ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 7 May 2024 17:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের জামাই। ৮০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে নাম উঠল খাড়্গের জামাই তথা কর্নাটকের কলাবুরাগি কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী রাধাকৃষ্ণ ডোড্ডামানি ও পাঁচজনের বিরুদ্ধে। সিবিআই এবং কর্নাটক লোকায়ুক্ত-এ একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বিজেপির বেঙ্গালুরু দক্ষিণ জেলার সভাপতি এনআর রমেশ।
ডঃ বিআর আম্বেদকর মেডিক্যাল কলেজ এবং বিআর ডেন্টাল কলেজের পরিচালন কমিটির প্রধান হলেন ডোড্ডামানি। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, প্রতারণা, ভুয়ো নথি তৈরি করা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
এনআর রমেশের অভিযোগ, ডোড্ডামানি সহ বাকিরা ধনী পরিবারের অযোগ্য ছাত্রদের ভর্তি করে নেওয়ার জন্য অনৈতিকভাবে টাকা তুলেছেন। এর জন্য তাঁরা ভুয়ো নথি তৈরি করেছেন। এমবিবিএস এবং বিডিএস কোর্সে ভর্তি করে দিয়ে তাঁরা কয়েকশো কোটি টাকা পকেটে পুরেছেন বলে বিজেপি নেতার অভিযোগ।
রমেশের আরও অভিযোগ, আনুমানিক ৮০০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে ডাক্তারি ও ডেন্টাল কোর্সে ভর্তি করতে। তিনি বলেছেন, কলেজের কর্মী সংগঠন, সমাজকর্মী এবং প্রশাসনিক কমিটির কয়েকজন রাজ্যপালের দফতর, রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছে অভিযোগ জমা দিলেও কোনও পদক্ষেপ হয়নি। ২০০৮-০৯ সাল থেকে ৬ মে পর্যন্ত কয়েক হাজার অনৈতিক কাজ প্রকাশ্যে এসেছে। ম্যানেজমেন্ট কোটার অপব্যবহার করে খাড়্গের জামাইয়ের নেতৃত্বে এইসব অপকর্ম চলেছে বলে তাঁর দাবি।
একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মী আমানুল্লা খানকে জনসংযোগ অফিসারের পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সমস্ত নিয়মবিধি লঙ্ঘন করে যেসব ছাত্র ফেল করেছে, তাদের ভর্তি করা হয়েছে এই দুই কলেজে। দ্বাদশ অনুত্তীর্ণ এইসব পড়ুয়াদের জন্য ঝাড়খণ্ড এবং অন্যান্য রাজ্য থেকে ভুয়ো সার্টিফিকেট তৈরি করে ভর্তির অভিযোগ এনেছেন রমেশ।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এক-একটি ছাত্রের কাছ থেকে ১-২ কোটি টাকা করে নিয়েছেন খাড়্গের জামাই। পরিচালন সমিতি ইন্টারনাল পরীক্ষায় ১০০ শতাংশ নম্বর দিতে লাখ করে নিত। যাকে পুরোপুরি প্রতারণা বলেছেন তিনি।
অভিযোগের সপক্ষে বেঙ্গালুরুর একটি কলেজ ছাত্রের দৃষ্টান্ত প্রমাণসহ দেওয়া হয়েছে। রমেশের অভিযোগ, গত ১৫ বছর ধরে এই দুর্নীতি চলছে। তিনি আরও বলেন, আমানুল্লা খান বর্তমানে তামিলনাড়ুর কৃষ্ণগিরি জেলায় ৫০০ কোটি টাকা খরচে একটি মেডিক্যাল কলেজ তৈরি করছেন।
বিজেপি নেতা অভিযোগে লিখেছেন, মল্লিকার্জুন খাড়্গের জামাই রাধাকৃষ্ণ এমবিবিএস পাশ করতে ৯ বছর সময় নিয়েছিলেন। ১৮ বার পরীক্ষা দিয়েছিলেন তিনি। তাঁকে অধ্যাপক-ডাক্তার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তাঁর এমডি ডিগ্রি নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিজেপি নেতা।