.webp)
শেষ আপডেট: 28 November 2023 15:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা মত কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে ধর্ণায় বসল তৃণমূল। বিধানসভায় আম্বেদকর মূর্তির নীচে মঙ্গলবার ধর্নায় বসেছেন তৃণমূল বিধায়করা। সেখান থেকে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধেও সরব হন তাঁরা। স্লোগান ওঠে, ‘বকেয়া টাকা দিতে হবে, না হলে গদি ছাড়তে হবে।’
কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে গত ২৩ নভেম্বর নেতাজি ইন্ডোরে সাংগঠনিক সভা করে তৃণমূল। ওই সভা থেকেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে ২৮ থেকে ৩০ নভেম্বর তিনদিন বিধানসভায় আম্বেদকরের মূর্তির সামনে ২ ঘণ্টা করে ধর্নায় বসবেন দলীয় বিধায়করা। ওই কর্মসূচিতে দলের সব বিধায়কের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েছিলেন নেত্রী।
১০০ দিনের বকেয়া আদায়ে তৃণমূল যে ফের আন্দোলনে নামতে চলেছে, নেত্রীর বক্তব্যে তাও স্পষ্ট ছিল। একই দাবিতে আগামী ২ ও ৩ ডিসেম্বর রাজ্যের প্রতিটি বুথে মিছিল করবে তৃণমূল। ইতিমধ্যে তারও প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে জেলায় জেলায়। তারপরই ফের দিল্লি অভিযানে নামতে পারেন খোদ নেত্রী।
আগামী ৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে লোকসভার অধিবেশন। তারপরই ডিসেম্বরের দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহে দলের সব সাংসদকে নিয়ে দিল্লিতে গিয়ে বকেয়া ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার সময় চাইবেন দলনেত্রী।
বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোরের সভা থেকে মমতা নিজেই একথা জানিয়েছিলেন। বলেছিলেন, “বকেয়া টাকার দাবিতে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহে আমরা দিল্লি যাব। সব এমপিকে নিয়ে যাব। প্রধানমন্ত্রীর কাছে সময় চাইব। জনগনের টাকা জনগণকে ফেরৎ দেওয়ার দাবি জানাব। যদি উনি সময় না দেন, তাহলে দিল্লির রাস্তায় ধর্নায় বসব আমরা। রাস্তাই আমাদের রাস্তা দেখাবে।”
এর আগে ১০০ দিনের কাজ, গ্রামীণ আবাস যোজনা সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে রাজ্যের টাকা আটকে রাখার অভিযোগে গত ২ ও ৩ অক্টোবর অভিষেকের নেতৃত্বে দিল্লিতে অভিযান করেছিল তৃণমূল। কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী চার ঘণ্টা বসিয়ে রেখেও দেখা না করার প্রতিবাদে ধর্নায় বসেছিলেন তৃণমূল সাংসদরা। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে অভিষেক সহ তৃণমূলের সাংসদ বিধায়কদের চ্যাংদোলা করে প্রিজনভ্যানে তোলার অভিযোগ উঠেছিল পুলিশের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদে দিল্লি থেকেই রাজভবন অভিযানের ডাক দিয়েছিলেন অভিষেক।