
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারী ও অধীর চৌধুরী।
শেষ আপডেট: 15 May 2024 20:39
দ্য় ওযাল ব্য়ুরো: বুধবার হুগলির চুঁচুড়ার নির্বাচনী সভা থেকে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, 'ইন্ডিয়া'র সরকারে যোগ দেবে না তৃণমূল, বাইরে থেকে সমর্থন করবে।
তৃণমূল নেত্রীর এই বক্তব্যকে হাতিয়ার করে এরপরই বিজেপি-তৃণমূলের আঁতাতের অভিযোগে সরব হয়েছে কংগ্রেস এবং সিপিএম। কটাক্ষ ধেয়ে এসেছে গেরুয়া শিবির থেকেও।
এই প্রসঙ্গে তৃণমূল নেত্রীকে আক্রমণ করে তাচ্ছিল্যের সুরে শুভেন্দু বলেছেন, "ওর (পড়ুন, মমতা) সাহায্য স্যান্ডো গেঞ্জির বুক পকেটের মতো!"
স্যান্ডো গেঞ্জির যেমন বুক পকেট হয় না, তেমনই ইন্ডি জোটের সরকার গঠনের সম্ভাবনাও তৈরি হবে না বলে দাবি করে শুভেন্দু জানিয়েছেন, এবারেও মোদীর নেতৃত্বে দেশে গেরুয়া সরকার গঠন হবে।
ইন্ডিয়া নামকরণ তাঁর তৈরি বলে প্রথম থেকে দাবি করে এসেছেন তৃণমূল নেত্রী। বিজেপি নয়, ইন্ডিয়াই এবারে সরকার গঠন করবে এবং তৃণমূল তাতে নেতৃত্ব দেবে বলেও জানিয়েছিলেন মমতা। যদিও এদিন তৃণমূল প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে হুগলির চুঁচুড়ার সভা থেকে মমতা বলেন, “ইন্ডিয়াকে নেতৃত্ব দিয়ে, বাইরে থেকে সব রকম সাহায্য করে আমরা সরকার গঠন করে দেব। সরকারে থাকবে না তৃণমূল।”
নেত্রীর এই বক্তব্য সামনে আসার পরই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল তৈরি হয়েছে। হঠাৎ কী এমন হল, যে সরাসরি সরকারে না গিয়ে তৃণমূল বাইরে থেকে সমর্থন করার কথা বলছে, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
তারপরই আক্রমণের সুর চড়িয়েছেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে আক্রমণ করেছে সিপিএম ও কংগ্রেসও। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, "এখনও তিন দফা ভোট বাকি। আগে থেকেই মোদীকে খুশি করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একথা বলেছেন। এবার প্রমাণ হল-বিজেপি-তৃণমূলের আঁতাতের যে কথা আমরা বলে আসছিলাম, সেটা কতটা সত্যি।"
একই কথা শুনিয়েছেন সিপিএমের কেন্দ্রীয় নেতা সুজন চক্রবর্তীও। সুজনের কথায়, "সিপিএম-তৃণমূল আঁতাত আবারও প্রমাণ হল।" যদিও তৃণমূল শিবিরের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের অপব্যাখ্যা করছে বিরোধীরা।