
সুখেন্দুশেখর রায়
শেষ আপডেট: 16 August 2024 23:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি কর কাণ্ডে 'রাতের দখল' নিয়ে প্রতিবাদে সামিল হয়েছিলেন আমজনতা। তা সমর্থন করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়। বলেছিলেন, 'আমি মেয়ের বাবা, নাতনির দাদু হিসেবে এই প্রতিবাদে সামিল হব।' তিনিই এবার নারী নিরাপত্তা ইস্যুতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দিলেন। আইন আরও কঠোর করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
মহিলাদের উপর নৃশংসতা বন্ধ করতে কেন্দ্রের আরও কড়া হওয়া উচিত বলে বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। আরজি কর প্রসঙ্গ টেনেই তাঁর কথা, শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয় দেশের অনেক জায়গাতেই এমন পৈশাচিক ঘটনা ঘটেছে, ঘটেও। তা যাতে ভবিষ্যতে আর না হয় সেজন্য আরও কঠোর আইন আনা জরুরি। শুক্রবার অমিত শাহকে দেওয়া তাঁর চিঠিতে সুখেন্দু শেখর রায় উল্লেখ করেছেন, এটাই সময় কঠোর কেন্দ্রীয় আইন আনার। শীতকালীন অধিবেশনেই যাতে এই সংক্রান্ত বিল আনা হয়, সে আর্জিও করেছেন তিনি।
তৃণমূল সাংসদ চিঠিতে লিখেছেন, বাস, ট্রাম থেকে শুরু করে কর্মক্ষেত্র সব জায়গায় মহিলাদের সুরক্ষা বাড়াতে হবে। সিসিটিভি থেকে শুরু করে নিরাপত্তারক্ষীদের সংখ্যাও বাড়ানোর কথা বলেছেন তিনি। পাশাপাশি দেশের প্রতি জেলায় তিনটি ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠন করার পরামর্শও দিয়েছেন সুখেন্দুশেখর। সবথেকে বড় যে তাঁর দাবি তা হল, ধর্ষণ, ধর্ষণ করে খুনের মতো অভিযোগ নিয়ে দ্রুততম পদক্ষেপ করতে হবে।
আরজি কর ইস্যুতে সব মহলই নিন্দায় সরব হয়েছে এক হয়েছে। ১৪ তারিখ রাতের আন্দোলনে সামিল হতে চেয়ে সুখেন্দু সোশ্যাল মাধ্যমে লিখেছিলেন, ''মেয়েদের বিরুদ্ধে হিংসা অনেক হয়েছে। চলুন একসঙ্গে প্রতিবাদ করি।'' রাজ্যের শাসক দলের মধ্যে সুখেন্দুই প্রথম বড় নেতা যিনি এই প্রতিবাদে যোগ দেওয়ার কথা বলেছেন। তবে বিজেপির তরফে তাঁকে কটাক্ষ করা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় বিজেপির তরফে রাজ্যের পর্যবেক্ষক তথা আইটি সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা অমিত মালব্যর দাবি ছিল, এইভাবে মহিলাদের প্রতিবাদে সামিল হয়ে তৃণমূল আসলে সেই কর্মসূচির দখল নিতে চাইছে। এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো কৌশল ছাড়া কিছুই নয়।