Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
প্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরা

SSC: ২২ লক্ষ মিরর ইমজ রয়েছে, প্রকাশ করতে কোনও আপত্তি নেই: ব্রাত্য বসু

প্রশ্ন হল, ২২ লক্ষ পরীক্ষার্থীর ওএমআর শিটের মিরর ইমেজ যদি থেকেই থাকে, তাহলে কেন যোগ্য ও অযোগ্য আলাদা করে বাছাই করা যায়নি? কেন কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছিল যে, চাল ও কাঁকর আলাদা করা যাচ্ছে না? 

SSC: ২২ লক্ষ মিরর ইমজ রয়েছে, প্রকাশ করতে কোনও আপত্তি নেই: ব্রাত্য বসু

গ্রাফিক্স- দ্য ওয়াল।

শেষ আপডেট: 11 April 2025 22:09

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এসএসসি-র ২০১৬ সালের প্যানেল থেকে (SSC 2016 Deprived Teachers) যোগ্য ও অযোগ্যদের আলাদা করা যাচ্ছে না। সেই কারণেই প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীর  আস্ত প্যানেল বাতিল করা হল বলে গত ৩ এপ্রিল জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার চাকরিহারাদের সঙ্গে আড়াই ঘণ্টা বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বেশ জোরের সঙ্গেই জানালেন, “২২ লক্ষের মিরর ইমেজই রয়েছে। আমাদের তা প্রকাশ করতে কোনও আপত্তি নেই”।

একই সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী এও বলেন, “তবে যেহেতু বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন তাই আইনি পরামর্শ ছাড়া আমরা কোনও কাজই করতে পারব না”।

প্রশ্ন হল, ২২ লক্ষ পরীক্ষার্থীর ওএমআর শিটের মিরর ইমেজ যদি থেকেই থাকে, তাহলে কেন যোগ্য ও অযোগ্য আলাদা করে বাছাই করা যায়নি? কেন কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছিল যে, চাল ও কাঁকর আলাদা করা যাচ্ছে না? 

এদিনের বৈঠকে চাকরিহারারা প্রার্থীরা শিক্ষামন্ত্রীর কাছে দাবি করেন, অবিলম্বে যোগ্য ও অযোগ্যদের তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করুক এসএসসি। শিক্ষামন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যে সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দেড় থেকে দু'সপ্তাহের মধ্যে সেই তালিকা ওয়েবসাইটে তুলে দেওয়া হবে। তবে তার আগে আইনি পরামর্শ নেওয়া হবে।

প্রশ্ন উঠছে, যোগ্য ও অযোগ্যদের তালিকা যদি থাকে তাহলে তা আগে আদালতে দেওয়া হল না কেন? শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "এমন তথ্য ঠিক নয়।  এটা বিরোধী দলের তৈরি করা ন্যারেটিভ। আপনারা তাতে পা দেবেন না। এসএসসির হার্ডডিস্ক হারিয়ে গেছে। তাই সিবিআইয়ের তরফ থেকে যে তালিকা দেওয়া হয়েছিল, তা অতীতে তিনবার সুপ্রিমকোর্টে এসএসসি জমাও দিয়েছিল। আইনি পরামর্শ নিয়ে ওই তালিকা প্রকাশ করা হবে।" 

এসএসসির এই হার্ডডিস্ক হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় বর্তমান চেয়ারম্যানের কোনও দায় নেই বলেও জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, উনি ওই সময় দায়িত্বে ছিলেন না।

এসএসসি এবং রাজ্য পৃথক পৃথকভাবে আদালতে রিভিউ পিটিশনের আবেদন করবে বলেও জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, যে তথ্যের ভিত্তিতে আদালত ইতিমধ্যে রায় দিয়ে দিয়েছে, পুনরায় সেই তথ্য দাখিল করে রিভিউ পিটিশনে কী কোনও সুরাহা হতে পারে? এ ব্যাপারে সরাসরি কোনও জবাব দেননি শিক্ষামন্ত্রী। তবে যোগ্যদের চাকরি ফেরাতে সরকার সব ধরনের আইনি সহযোগিতা করবে জানিয়েছেন ব্রাত্য। 

আগামী ১৭ এপ্রিল শীর্ষ আদালতে শুনানি রয়েছে। ওই দিন বিরোধীরা যাতে আদালতে রাজ্যের বিরোধিতা না করেন সুকৌশলে সেই বার্তাও এদিন দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, "১৭ তারিখ কোর্টে শুনানি আছে। সেদিন কারা পর্ষদের বিরুদ্ধে লড়বে, সেটা সকলেই দেখতে পাবেন। তাতেই প্রমাণিত হবে কারা যোগ্যদের তালিকাও বাতিল করতে চাইছেন।"
 
'২৬ সালে জয় নিশ্চিত হয়ে আছে' দাবি করে বিরোধীদের উদ্দেশে ব্রাত্য এও বলেন, "ভাত দেওয়ার নাম নেই কিল মারার গোঁসাই হবেন না, আপনারা আপনাদের রাজনীতি করুন! শেষ মুহূর্তে আমরা অক্সিজেন দিয়ে খড়কুটোর মতো ওদের হৃত মর্যাদা ফিরে পাওয়ানোর চেষ্টা করছি, তখন ওদের বিভ্রান্ত করে এই চেষ্টাকে আটকাবেন না।"


```