Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
প্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরা

পানীয় জল নেই! বন্যার জলেই তেষ্টা মেটাচ্ছেন শিলচরের মানুষ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বন্যায় দুর্ভোগের শেষ নেই শিলচরের (Silchar) মানুষের। যতদিন যাচ্ছে দুর্বিষহ হয়ে উঠছে জীবন। জীবন ধারণের নুন্যতম চাহিদাগুলোই এখন অলীক স্বপ্ন। বিদ্যুৎ নেই, খাবার নেই, নেই পানীয় জল। নৌকা চলছে শহরের মাঝে। বোতলে করা পানীয় জল

পানীয় জল নেই! বন্যার জলেই তেষ্টা মেটাচ্ছেন শিলচরের মানুষ

শেষ আপডেট: 28 June 2022 12:07

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বন্যায় দুর্ভোগের শেষ নেই শিলচরের (Silchar) মানুষের। যতদিন যাচ্ছে দুর্বিষহ হয়ে উঠছে জীবন। জীবন ধারণের নুন্যতম চাহিদাগুলোই এখন অলীক স্বপ্ন। বিদ্যুৎ নেই, খাবার নেই, নেই পানীয় জল। নৌকা চলছে শহরের মাঝে। বোতলে করা পানীয় জল পৌঁছানো হচ্ছে ঘরে ঘরে। কিন্তু তাতে কি আর চাহিদা মেটে? মিটছে না, অগত্যা ভরসা 'নোংরা' বন্যার জলই (Flood Water)। পানের উপযোগী করে কোন রকমে সেই জল খেয়েই তেষ্টা মেটাচ্ছেন শিলচরের মানুষ।

শুধু শিলচর নয়, অসমের প্রায় একাধিক জায়গায় জলমগ্ন (Assam Flood)। এখনও পর্যন্ত ৩২টি জেলার ৫৫ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ব্রহ্মপুত্র ও বরাক নদীর জলস্তর আরও বেড়েছে। যার ফলে নতুন করে অববাহিকার বেশ কিছু এলাকা জলমগ্ন হয়েছে।

নৌকায় করে চলছে যাতায়াত, নয়তো বুক অবধি জল পেরিয়ে মেটাতে হচ্ছে দরকারি কাজ। জল ঢুকে গেছে হাসপাতালেও। এমনই নানান খণ্ডচিত্র ছড়িয়ে পড়েছে নেট পাড়ায়। চাচরের ৩ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। মানুষের গলায় শুধুই হতাশা। বাসুদেব নগরের বাসিন্দা উত্তম ঘোষের কথায়, "আমাদের সবকিছু ভাসিয়ে নিয়ে গেছে বন্যায়। আমরা এক সপ্তাহ ধরে এমন অবস্থায় আছি।" দিন কাটছে একটি মাত্র বিস্কুট খেয়ে, কখনও কখনও আবার সেটুকুও এসে পৌঁছাচ্ছে না। ফলে অনাহারেই কাটাতে হচ্ছে। কিন্তু খাবার জন্য জল? উত্তম ঘোষের কথায়, "জল তো চারিদিকে, সেই বন্যার জল খেয়েই দিন কাটছে।"

আরেক বাসিন্দার কথায়, "নিত্য প্রয়োজনীয় কাজের জন্য বন্যার জলই ব্যবহার করতে হচ্ছে। নীচে জল, ওপরে বিছানাতে কোন রকমে রাত কাটাচ্ছি আমরা। খাবার নেই, ওষুধ নেই, এমনকি নুন্যতম ত্রাণও এসে পৌঁছাচ্ছে না।" আর যাতায়াতের খরচ, সে তো আকাশ ছোঁয়া। সাধারণ মানুষের কথায়, নৌকাগুলি ১০০ থেকে ২০০ মিটার যেতে চার্জ করছে প্রায় ২ হাজার টাকা।

এক বাসিন্দার করায়, "বাড়িতে মা অসুস্থ। কিন্তু হাসাপাতালে নিয়ে যেতে পারছি না। যদিও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী আছে, তবে আমরা তাঁদের চোখে দেখতে পাচ্ছি না।" হাতেগোনা কয়েকটি এনজিও আছে, যারা সাধ্যমতো সামান্য খাদ্য পৌঁছে দিচ্ছে বাড়ি বাড়ি। তবে তার পরিমাণ এতই কম যে পেট ভরছে না মানুষের।

গোটা উপত্যকা যেন নদী, বরাকের পথঘাটে ভাসছে নৌকো! মিলছে না খাবার জল


```