
শেষ আপডেট: 21 July 2023 12:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'পাক বধূ' সীমা হায়দার (Seema Haider) আসলে কে, সেই নিয়ে আপাতত তোলপাড় চলছে। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের এসটিএফের অনুমান, চরবৃত্তি করতেই পাকিস্তান সেনা সীমাকে ভারতে পাঠিয়েছে। যদিও সীমার দাবি, ভালবাসার টানে তিনি এ দেশে এসেছেন। যতদিন যাচ্ছে, সীমাকে ঘিরে রহস্য বাড়ছে। একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসছে।
সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তান থেকে নেপাল হয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন সীমা। নেপাল থেকে ভারতে ঢোকার সময় ভুয়ো নাম ও আধার কার্ড ব্যবহার করেছিলেন তিনি। সেসময় সীমার নাম হয়ে যায়, প্রীতি!
নেপাল থেকে ভারতে বাসে করে এসেছিলেন সীমা। সেইসময় বাস সংস্থার কোম্পানির কাছে নাম ভাঁড়িয়েছিলেন তিনি। ওই বাস সংস্থার মালিকের নাম গৌতম প্রসন্ন। তাঁর দাবি, সীমা জানিয়েছিলেন যে তাঁর নাম প্রীতি এবং তিনি ভারতের বাসিন্দা। পরিচয়পত্র চাইলে একটি আধার কার্ডও দেখিয়েছিলেন তিনি। গৌতম জানিয়েছেন, সেই আধার কার্ড দেখে তিনি সীমার নাগরিকত্বের বিষয়টি বিশ্বাসও করে নিয়েছিলেন।
গৌতম সংবাদমাধ্যমে বলেন, তাঁর সংস্থা থেকে যখন বাসের টিকিট কেটেছিলেন সীমা, তখন চারটি টিকিট নিয়েছিলেন। কিন্তু টিকিটের পুরো টাকা ছিল না সীমার কাছে। তখন এক বন্ধুকে ফোন করেন সীমা। পরে সীমার ওই ভারতীয় বন্ধুই টিকিটের টাকা অনলাইনে মিটিয়ে দেন।
সীমা যে ভারতে ঢোকার আগে নেপালে ছিলেন কয়েকদিন সে খবর আগেই মিলেছিল। জানা গিয়েছিল, ভারতে আসার আগে কাঠমান্ডুর এক হোটেলে উঠেছিলেন তিনি। তবে একা নন, সঙ্গে ছিলেন তাঁর ভারতীয় 'প্রেমিক' শচীন মীনা। হোটেলের এক কর্মীর কথায় জানা গিয়েছিল, সেখানেও নাম ভাঁড়িয়ে ছিলেন ওই যুগল।
গত মে মাসে নেপাল থেকে সীমান্ত পেরিয়ে বাসে করে নয়ডায় আসেন সীমা। সেখানেই শচীনের সঙ্গে বিয়ে করবেন বলে ঠিক করেন। কিন্তু সীমা যে পাকিস্তানি তা জানাজানি হতে বেশি সময় লাগে না। ৪ জুলাই গ্রেফতার হন তিনি। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর সীমা দাবি করেন, তিনি হিন্দু ধর্ম নিয়েছেন। বিয়েও করেন শচীনকে। নামের শেষ থেকে বাদ দিয়েছিলেন হায়দার পদবি।
হোটেল না পেয়ে ভারত-পাক ম্যাচ দেখতে হাসপাতালে বুকিং শুরু মোদী রাজ্যে