Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
প্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরা

মমতার অধীনে ১ কোটি কর্মসংস্থান ‘সৃষ্টি’ হয়েছে, দাবি তৃণমূলের, সুজন বললেন, ‘গরু চোদ্দো তলায় উঠেছে’

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত সপ্তাহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ করেছিল তৃণমূল। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যরা সেই রিপোর্টে দাবি করেছিলেন, গত সাড়ে ৯ বছরে বাংলায় নতুন ১২১২টি কারখানার পত্তন হয়েছে। সোমবার বিদ্যুৎমন্ত্রী শো

মমতার অধীনে ১ কোটি কর্মসংস্থান ‘সৃষ্টি’ হয়েছে, দাবি তৃণমূলের, সুজন বললেন, ‘গরু চোদ্দো তলায় উঠেছে’

শেষ আপডেট: 14 December 2020 14:36

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত সপ্তাহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ করেছিল তৃণমূল। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যরা সেই রিপোর্টে দাবি করেছিলেন, গত সাড়ে ৯ বছরে বাংলায় নতুন ১২১২টি কারখানার পত্তন হয়েছে। সোমবার বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বুকলেট দেখিয়ে দাবি করলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধীনে (পড়ুন মেয়াদে) বাংলায় এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। সম্ভবত এই ‘সৃষ্টি’ কথাটার মধ্যে ভাঁজ রয়েছে। কারণ, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে আর কর্মসংস্থান হয়েছে— এই দুই কথার অর্থ এক নয়। তাঁর কথাতেও তা পরিষ্কার। যেমন তিনি বলেছেন, "টিসিএসে ৪৪ হাজার কর্মসংস্থান হয়েছে, নতুন ক্যাম্পাসের জন্য মোট কর্মসংস্থান ৬১ হাজারেও বেশি হবে।" কিংবা তিনি যেমন জানিয়েছেন, তাজপুরে গভীর সমুদ্র বন্দর গড়ায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, সেখানে ২৫ হাজার কর্মসংস্থান হবে, ইত্যাদি। এ ছাড়া মোটামুটি ভাবে কর্মসংস্থানের একটা ব্রেক-আপ দিয়েছেন শোভনদেববাবু। যেমন, যুবশ্রী প্রকল্পের আওতায় ১ লক্ষ বেকার যুবক যুবতীকে মাসে ১৫০০ টাকা করে দেওয়া হয়। কর্মসাথী প্রকল্পের আওতায় ১ লক্ষ যুবক যুবতীকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হয়। তা ছাড়া উৎকর্ষ বাংলা যোজনা ও গতিধারায় কত কর্মসংস্থান হয়েছে তার হিসেব দিয়েছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী। সেই সঙ্গে জানিয়েছেন, অ্যামাজন লজিস্টিক হাবে ২০ হাজার, আইবিএমে ১৫ হাজার, সিটিএসে ২০ হাজার এবং উইপ্রোতে ১০ হাজার নিয়োগ হয়েছে, ইত্যাদি। শোভনদেবের এই দাবি শুনে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেছেন, "এত বড় মিথ্যা! এ নিয়ে আর কী বলব!" আবার বাম পরিষদীয় দলনেতা সদস্য সুজন চক্রবর্তী টিপ্পনি কেটে বলেছেন, "গল্পের গরু গাছে ওঠে জানতাম। এ তো দেখছি গরুটা সোজা নবান্নের ১৪ তলায় উঠে পড়েছে! খুব বিপদ!" সোমবার শোভনদেববাবু তথ্য দিয়ে দাবি করেন, কোথায় কত চাকরি হয়েছে। তাতে উইপ্রো, টিসিএস, সিটিএস-এর মতো তথ্য প্রযুক্তি সংস্থায় কর্মসংস্থানের পরিসংখ্যান দেওয়া হয়েছে। উত্‍কর্ষ বাংলায় ৬ লক্ষ যুবক যুবতীর প্রশিক্ষণ চলছে, গতিধারায় কত জন ঋণ পেয়েছেন সেসবের উল্লেখ করা হয়েছে শাসকদলের দস্তাবেজে। এদিকে যখন তৃণমূল ভবনে এক কোটি চাকরির দাবি করছেন শোভনদেববাবু ওদিকে তখন বিজেপি তৃণমূলের ফেল কার্ড প্রকাশ করেছে। রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত, শমীক ভট্টাচার্য পাল্টা তথ্য দিয়ে বলেছেন, বাংলার মানুষের মাথাপিছু আয়, কৃষি ব্যবস্থা, জিডিপি, প্র্ত্যক্ষ বিদেশি বিনোয়োগ তথা এফডিআই সবেতেই ডাহা ফেল করেছে মমতা সরকার। গতকালই বিজেপি নেতা মুকুল রায় বলেছিলেন, বিজেপি কর্মীরা বেকারদের বাড়ি বাড়ি প্রতিশ্রুতি কার্ড পৌঁছে দেবেন। বাংলায় সরকারে এলে গেরুয়া শিবির পাঁচ বছরে ৭৫ লক্ষ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করবে বলেও দাবি করেন মুকুলবাবু। তিনি এও বলেন, বাংলায় শুধু ঢপ চলছে। চপ শিল্প ছাড়া কিছুই হয়নি। এদিন সুজনবাবু আরও বলেন, "রাজ্যে গত দশ বছরে কোনও নতুন শিল্প হয়নি। ১২১২টি কারখানার গল্প পুরো ভুয়ো। ভাবুন তো একটা কথা, মুখ্যমন্ত্রী এত প্যান্ডেল উদ্বোধন করেন, কেন তাঁকে একটাও কারখানার ফিতে কাটতে দেখা গেল না!"

```