
শেষ আপডেট: 12 October 2020 15:49
কিছুটা যাওয়ার পরেই মোটরসাইকেল থেকে সোজা সাইকেল এর উপরে ঝাঁপ মারেন ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার। হাতেনাতে ধরে ফেলেন টাকা ছিনিয়ে সাইকেল নিয়ে পালাতে যাওয়া ওই দুষ্কৃতীকে। তখন সাইকেল ও টাকার ব্যাগ ফেলে সিভিক ভলেন্টিয়ারকে মারধর করে ঘটনাস্থল থেকে গা ঢাকা দেয় ওই ছিনতাইকারী। পরে ঘটনাস্থল থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরে স্থানীয় যুবকরা ওই দুষ্কৃতীকে পাকড়াও করে। এরপর ঝাড়গ্রাম ট্রাফিক পুলিশের ওসি ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই দুষ্কৃতীকে উদ্ধার করে ঝাড়গ্রাম থানায় নিয়ে যান।
ট্রাফিক পুলিশের সিভিক ভলেন্টিয়ার প্রশান্ত দাস বলেন, ‘‘সিগন্যালে আমরা ডিউটি করছিলাম সেই সময় হঠাৎ করে এক ব্যক্তি অটো থেকে পড়ে যান। তারপরে জানতে পারি তার টাকার ব্যাগটি নিয়ে কেউ পালাচ্ছে। আমি একজন মোটরসাইকেল আরোহীর সাহায্য নিয়ে ওই দুষ্কৃতীর পিছু ধাওয়া করি। কিছুটা দুরে তাকে ধরেও ফেলি। কিন্তু সে তার সাইকেল ও টাকার ব্যাগ ফেলে পালিয়ে যায়। তখন আমি আমার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হাতে টাকার ব্যাগটি তুলে দেই।’’
বাংলা আবাস যোজনা বাড়ি তৈরি করার জন্য ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তুলে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তায় টাকা ছিনতাই হয়ে যাওয়ায় রীতিমতো ঘাবড়ে যান বছর পঞ্চাশের চুনারাম মান্ডি। তিনি টাকার সন্ধানে চারদিকে ঘুরতে থাকেন। অবশেষে যেখানে তার টাকা ছিনতাই হয়েছিল সেখানে পৌঁছলে পুলিশ তাঁকে জানায় তার টাকা পাওয়া গেছে। চুনারাম বলেন, ‘‘বাড়ির জন্য দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ব্যাঙ্কে ঢুকেছে। সেখান থেকে আমি মাত্র ১০ হাজার টাকা তুলে এদিন বাড়ি ফিরছিলাম। তার মধ্যে রাস্তায় ১০০ টাকা খরচ করেছি। ব্যাগে মাত্র ৯৯০০ টাকা ছিল। আমি সাধারণ একজন লোক। চাষবাস করে জীবন যাপন করি। আমার কাছে এই টাকাটাও খুব মূল্যবান। ওই পুলিশ কর্মীকে ধন্যবাদ জানাই।’’