শেষ আপডেট: 4 April 2020 01:30
এরই পাশাপাশি নির্মলা জানিয়েছেন পঞ্চদশ অর্থকমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গকে রাজস্ব ঘাটতি মেটাতে শুক্রবার বরাদ্দ করা হয়েছে আরও ৪১৭ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা।
রাজস্ব ঘাটতি মেটাতে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও আরও ১৩ টি রাজ্যকে অর্থ বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এর মধ্যে সবথেকে বেশি বরাদ্দ পেয়েছে বাম শাসিত রাজ্য কেরল। কেরলের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ১২৭৬ কোটি ৯১ লক্ষ টাকা। এই চোদ্দটি রাজ্যকে এই খাতে মোট বরাদ্দ করা হয়েছে ৬১৫৭ কোটি ৭৪ লক্ষ টাকা।
এ ছাড়া বিপর্যয় মোকাবিলা খাতে প্রথম কিস্তির টাকা হিসাবে সবকটি রাজ্যকে মোট ১১,০৯২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
যদিও এর পরেও নবান্ন যে খুব সন্তুষ্ট হবে তা নয়। বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, কেন্দ্র রাজ্যের বকেয়া টাকা ছাড়ুক। সেই সঙ্গে ২৫ হাজার কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ দাবি করেছিলেন তিনি। তা ছাড়া বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণকে চিঠি লিখে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র বলেছেন, জিএসটি খাতে ক্ষতিপূরণের ২,৮৭৫ কোটি টাকা যেন অবিলম্বে রিলিজ করে কেন্দ্র।
ওই চিঠিতে অমিত মিত্র এও লিখেছেন, “আপনি জানেন করোনাভাইরাসের মহামারী রাজ্যের কোষাগারে কী ধরনের প্রভাব ফেলেছে। ব্যবসায়িক কাজকর্ম ভীষণ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার ধাক্কা এসে পড়েছে রাজস্ব আদায়ে। এই অবস্থায় জিএসটি-র ক্ষতিপূরণের টাকা পেতে দেরি হলে রাজ্য আরও সংকটে পড়বে।” ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের মার্চ পর্যন্ত জিএসটি-র ক্ষতিপূরণের টাকা বকেয়া রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, জিএসটি আইনেই বলা হয়েছে, এই পরিষেবা কর চালু হলে রাজ্যের রাজস্ব চোদ্দ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। এই খাতে কোনও ঘাটতি হলে লাক্সারি পণ্য বা মদ সিগারেট, তামাকের উপর চাপানো সেসের টাকা থেকে তা মেটানো হবে।