Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
প্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরা

প্রতিশ্রুতি-আশ্বাসে গলবে না বরফ, বিক্ষোভে অনড় এনআরএস-এর ইন্টার্ন-জুনিয়র ডাক্তাররা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ক্ষোভে ফুটছে এনআরএস। বিক্ষোভে সামিল ইন্টার্ন এবং জুনিয়র ডাক্তাররা। সোমবার রাত থেকে শাট ডাউন পোস্টার লাগিয়ে গেটে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন এনআরএস-এর বিক্ষোভরত ইন্টার্ন এবং জুনিয়র ডাক্তাররা। তাঁদের শরীরী ভাষা স্পষ্টতই বুঝিয়ে দিচ্ছে

প্রতিশ্রুতি-আশ্বাসে গলবে না বরফ, বিক্ষোভে অনড় এনআরএস-এর ইন্টার্ন-জুনিয়র ডাক্তাররা

শেষ আপডেট: 11 June 2019 10:16

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ক্ষোভে ফুটছে এনআরএস। বিক্ষোভে সামিল ইন্টার্ন এবং জুনিয়র ডাক্তাররা। সোমবার রাত থেকে শাট ডাউন পোস্টার লাগিয়ে গেটে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন এনআরএস-এর বিক্ষোভরত ইন্টার্ন এবং জুনিয়র ডাক্তাররা। তাঁদের শরীরী ভাষা স্পষ্টতই বুঝিয়ে দিচ্ছে, এই অবস্থান সাময়িক নয়। এই বিক্ষোভ কর্তৃপক্ষের প্রতিশ্রুতি এবং আশ্বাসে উঠবে না। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে। ডাক্তারদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে। ইতিমধ্যেই এনআরএস-এ দুই ইন্টার্নের মার খাওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্য জুড়ে বিক্ষোভ, অবস্থানে সামিল হয়েছেন বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে ইন্টার্ন এবং জুনিয়র ডাক্তাররা। আর একদিকে মল্লিক বাজার ইন্সটিটিউট অফ নিউরো সায়েন্সে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে এনআরএস-এর ২৬ বছরের ইন্টার্ন পরিবহ মুখোপাধ্যায়। ইটের আঘাতে মস্তিষ্কের ফ্রন্টাল লোব ভেঙে গিয়েছে তাঁর। জানা গিয়েছে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। খুলিতে গুরুতর চোট লেগেছে তাঁর। জখম হয়েছেন আরও এক ইন্টার্ন যশ। তিনি পাটনার বাসিন্দা। [caption id="attachment_113245" align="aligncenter" width="1280"] বড় হচ্ছে আন্দোলন। জমা হচ্ছে প্রচুর প্লাস্টিক-ত্রিপল।[/caption] সোমবার সন্ধে থেকেই অশান্তি শুরু হয়েছিল এনআরএস-এ। মহম্মদ সাহিদ নামে ৮৫ বছরের ওই বৃদ্ধকে পরশু ভর্তি করা হয়েছিল এনআরএসে। রোগীর পরিজনদের বক্তব্য, সোমবার সকাল পর্যন্ত ভাল ছিলেন তিনি। কিন্তু বিকেল পাঁচটার পর থেকে ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন সাহিদ। চিকিৎসকদের বারবার ডাকা সত্ত্বেও কেউ আসেননি। এর পর সন্ধ্যায় ওই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ আনে মৃতের পরিবার। কথা কাটাকাটি মুহূর্তে পরিণত হয় হাতাহাতিতে। রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে হাসপাতাল চত্বর। নিমেষে ইন্টার্ন, জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে রোগীর পরিবারের কুরুক্ষেত্র বেঁধে যায়। ইটের আঘাতে আহত হন দুই ইন্টার্ন। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল থেকেই এনআরএস-এ গিয়েছেন কর্তাব্যক্তিরা। ঘটনাস্থলে যান স্বাস্থ্য অধিকর্তা প্রদীপ মিত্র। তাঁকে ধরেও বিক্ষোভ দেখায় অবস্থানে সামিল ইন্টার্ন-জুনিয়র ডাক্তাররা। বিক্ষোভের মুখে পড়েন স্বাস্থ্যমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যও। এনআরএস-এ গিয়েছেন নির্মল মাঝি এবং পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা। যদিও সুপারের ঘর থেকে বেরিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি নির্মল মাঝি এবং সিপি অনুজ শর্মা। তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, "গোটা বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। বিক্ষোভ তুলবে কি না বিক্ষোভকারীদের ব্যাপার। প্রশাসন সঙ্গে রয়েছে। হাসপাতাল পরিষেবা চালু করুক।" চারপাশ থেকে তখন 'শেম শেম' স্লোগান দিচ্ছিলেন বিক্ষোভে সামিল ইন্টার্ন এবং জুনিয়র ডাক্তাররা। তাঁরা বলেন, "নো সিকিউরিটি, নো সার্ভিস"। [caption id="attachment_113241" align="aligncenter" width="1280"] এনআরএস-এ এসে পৌঁছল আরজিকরের টিম।[/caption] কোনও কিছুতেই যে কোনও লাভ হবে না, হাবেভাবে তা বুঝিয়েই দিচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা। রোগীদের হাজার কাকুতি-মিনতিতেও বরফ গলেনি একটুও। বরং পারদ চড়ছে ক্রমশ। মার খাওয়ার যতটা না প্রতিবাদ, তার চেয়েও বিক্ষোভকারীদের বেশি রাগ, পুলিশ এবং কর্তৃপক্ষের উপর। এক ইন্টার্নের কথায়, "লরি করে ২০০ লোক নিয়ে এসেছিল মৃত রোগীর পরিবার। তারা এসে তাণ্ডব চালায়। পুলিশ নীরব দর্শক হয়ে সব দেখল। আর এখন ৫ জনকে গ্রেফতার!" মঙ্গলবার বেলা বাড়তেই দলে দলে ইন্টার্ন এবং জুনিয়র ডাক্তার এসে সামিল হয়েছেন এনআরএস-এর অবস্থান বিক্ষোভে। বাঁশ-ত্রিপল দিয়ে টাঙানো হয়েছে মাথা গোঁজার ঠাঁই। কয়েকশো ডাক্তার নিয়ে আরজিকরের টিমও পৌঁছে গিয়েছে এনআরএস-এ। মেডিক্যাল কলেজের একটি ছোট দল আগেই এসেছে। অতএব এটা স্পষ্ট যে খুব সহজে প্রতিবাদীরা নরম হবেন না। এক ইন্টার্ন বলেন, "পরিবহ ওই রোগীর চিকিৎসার মধ্যেই ছিল না। কেবল সিস্টেমের অংশ বলে কাল অতগুলো লোকের সামনে পড়ে মার খেয়ে গেল। আমরা দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি চাই।" বিক্ষোভকারীদের এখন একটাই দাবি, "আমাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে। এর আগে অনেক লিখিত প্রতিশ্রুতি-আশ্বাস পেয়েছি। কিন্তু লাভের লাভ কিছুই হয়নি। অনেক হয়েছে। অনেকদিন এ সব মুখ বুজে মেনে নিয়েছি। এ বার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙেছে। এর শেষ দেখে ছাড়ব।"

```