
শেষ আপডেট: 4 January 2020 03:43
জানা গিয়েছে, কাসেম সোলেমানি এবং ইরানের আধাসেনার এক উচ্চপদস্থ অফিসার আবু মেহদি আল-মুহানদিসের মৃত্যুর পর শনিবার এক শোকমিছিলের আয়োজন করছিল ইরানের কমব্যাট ফোর্স হাশদ আল-শাবি। কিন্তু কাসেম সোলেমানির শেষকৃত্যে পৌঁছনোর আগেই তাদের কনভয়ের উপর আঘাত হানে মার্কিন সেনা। আমেরিকার তরফে বিবৃতি পাওয়া না গেলেও ইরাকের স্থানীয় টেলিভিশনগুলো এই দ্বিতীয় হামলার জন্য মার্কিন সেনাবাহিনীকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। অনুমান, এক্ষেত্রেও ড্রোন হামলাই করেছে মার্কিন সেনাবাহিনী।
সূত্রের খবর, শুক্রবার ভোররাতে আচমকাই বাগদাদ বিমানবন্দর লক্ষ্য করে অন্তত চারটি রকেট নিক্ষেপ করা হয়। ইরাকের বিভিন্ন স্থানীয় টেলিভিশনে দেখানো হয় মার্কিন বাহিনীর হেলিকপ্টার থেকে বাগদাদ বিমানবন্দরে মোতায়েন হাশদ আল-শাবির দু’টি গাড়ি লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালানো হয়েছে। এরপরেই প্রকাশ্যে আসে ইরানি কুদস সেনাপ্রধান কাসেম সোলেমানির মৃত্যুর খবর। জানা যায় কাসেম সোলেমানি ছাড়াও এই হামলায় মৃত্যু হয়েছে ইরানি আধাসেনার এক উচ্চপদস্থ অফিসার আবু মেহদি আল-মুহানদিস এবং বিমানবন্দরের প্রোটোকল অফিসার মহম্মদ রেদার। এছাড়াও ইরাকের সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, সোলেমানি এবং ওই অফিসার ছাড়াও বিমানবন্দরে নিযুক্ত কমব্যাট ফোর্স হাশদ আশ-শাবির অন্তত পাঁচ জন নিহত হয়েছেন।
২৪ ঘণ্টার মধ্যে দু'বার হামলা হওয়ায় কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে বাগদাদ। মোতায়েন হয়েছে প্রচুর সেনা। আরও বড় হামলার আশঙ্কায় আতঙ্কে রয়েছে ইরাকের সাধারণ মানুষ।