দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনাভাইরাসের প্রভাবে ইতালিতে মৃত্যু বেড়েই চলেছে। মঙ্গলবার এই দেশে মৃত্যু হয়েছে ৭৪৩ জনের। এই মুহূর্তে চিনের দ্বিগুণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে ইতালিতে। মৃতের সংখ্যা বাড়ছে স্পেনেও।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী এই মুহূর্তে ইতালিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৬৯,১৭৬। তার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৬,৮২০ জনের। মঙ্গলবার ৭৪৩ জন মারা গিয়েছেন। সেখানে চিনে আক্রান্তের সংখ্যা ইতালির থেকে বেশি ( ৮১, ১৭১ )। কিন্তু মৃত্যুর সংখ্যা ইতালির অর্ধেকেরও কম। চিনে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩,২৭৭ জনের।
এই তালিকায় ইতালির কাছাকাছিই রয়েছে স্পেন। এই দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৯,৬৭৬। তার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২,৮০০ জনের। মঙ্গলবার স্পেনে মৃত্যু হয়েছে ৪৮৯ জনের। এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে ইতালির মতো স্পেনেও মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।
আমেরিকায় আক্রান্তের সংখ্যা আবার ইতালির কাছে থাকলেও মৃত্যুর সংখ্যা অনেকটা কমে। ট্রাম্পের দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৫০,০২৯। কিন্তু মৃত্যু হয়েছে মাত্র ৬৩৬ জনের।
এই মুহূর্তে বিশ্বে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা ৪, ২২, ৮২৯। তার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৮, ৯০৭ জনের। অবশ্য এই আক্রান্তদের মধ্যে ১, ০৯, ১০২ জন সুস্থ হয়েও উঠেছেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, করোনাভাইরাসে বিশ্বে প্রথম ১ লক্ষ সংক্রমণ হতে সময় লেগেছিল ৬৭ দিন। পরের ১ লক্ষ সংক্রমণ হতে লাগে ১১ দিন। আর তার পরের ১ লক্ষ সংক্রমণ হতে মাত্র ৪ দিন লেগেছে। এই পরিসংখ্যান দেখেই বোঝা যাচ্ছে, কী ভাবে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে এই ভাইরাস। আর তাই বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশে লকডাউন বা কার্ফু জারি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন, এই ভাইরাস রোখার একমাত্র উপায় হল সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং।