Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
প্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরা

চোদ্দতে বাবুল সুপ্রিয়কে টিকিট দিয়েছিলেন, সেই রামদেবই এখন বলছেন উনিশে মোদীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত!

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সাম্প্রতিক ভোটের ফল প্রকাশের পরে দেশ জুড়ে হাওয়া উঠেছে কৌতূহলের। কে হবেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী! এই কৌতূহল আর জল্পনা ভাবাচ্ছে তাঁকেও। তাই তিনি জানালেন, এখন রাজনৈতিক পরিস্থিতি এতটাই কঠিন যে বলা সম্ভবই নয় দেশের পরবর্তী প্রধানম

চোদ্দতে বাবুল সুপ্রিয়কে টিকিট দিয়েছিলেন, সেই রামদেবই এখন বলছেন উনিশে মোদীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত!

শেষ আপডেট: 26 December 2018 06:48

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সাম্প্রতিক ভোটের ফল প্রকাশের পরে দেশ জুড়ে হাওয়া উঠেছে কৌতূহলের। কে হবেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী! এই কৌতূহল আর জল্পনা ভাবাচ্ছে তাঁকেও। তাই তিনি জানালেন, এখন রাজনৈতিক পরিস্থিতি এতটাই কঠিন যে বলা সম্ভবই নয় দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হতে পারেন। রামেশ্বরমে ভক্তদের আয়োজিত এক সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময়ে এমনই মন্তব্য করলেন বাবা রামদেব। মাদুরাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দের পৌঁছৈ সাংবাদিকদের রামদেব বলেন, ”২০১৯ অর্থাৎ বর্তমান ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ভীষণ টালমাটাল। আমরা এখনই বলতে পারব না, পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হতে চলেছেন কিংবা দেশকে কে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। কিন্তু কঠিন হলেও এই পরিস্থিতি কৌতূহল সৃষ্টি করছে। দেশীয় রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে লড়াইয়ের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে”। মোদ্দা কথায়, রামদেব জানাচ্ছেন, উনিশে নরেন্দ্র মোদীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। রাজনীতিতে তাঁর কোনও আগ্রহ ছিল না বলেই আগেই জানিয়েছিলেন বাবা রামদেব। এখনও তিনি বলছেন, ”রাজনীতি নিয়ে আমার ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি হল, এখন আমি কোনও দলের সমর্থন বা বিরোধিতা করছি না”। কিন্তু বাস্তব হল, এই রামদেবই পাঁচ বছর আগে বিজেপি-র সঙ্গে এমন লতায় পাতায় জড়িয়ে ছিলেন যে লোকসভা ভোটে প্রার্থী পর্যন্ত বেছে দিয়েছিলেন অমিত শাহদের হয়ে। তাঁর কোটাতেই পশ্চিমবঙ্গের আসানসোল থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন অধুনা কেন্দ্রীয় প্রতি মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। অথচ সেই তিনিই যে এখন ডিগবাজি খাচ্ছেন তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, রামদেব যত বড় যোগগুরু, তার থেকেও বড় ব্যবসায়ী হয়ে উঠেছেন। উনি বুঝতে পারছেন হাওয়া খারাপ। উনিশে দিল্লির তখতে মোদী নাও ফিরতে পারেন। তাই সব বিকল্প খোলা রাখছেন। রাহুল গান্ধীকেও চটাতে চাইছেন না। বলছেন, তিন রাজ্যে পরিশ্রমের ফল পেয়েছেন রাহুল। আবার সদস্য কলকাতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা করে বলেছেন, ওনাকে বলব বাংলায় সংস্কৃত পড়ানোর একটা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে। বিরোধী নেতারা বলছেন, উনি যোগগুরু, তাই ডিগবাজিতেও পটু। রামদেব সাংবাদিকদের আরও বলেন, তাঁর লক্ষ্য হিন্দু রাষ্ট্র নয়, বরং তিনি চান সম্পূর্ণ আধ্যাত্মিক একটি দেশ তৈরি হোক। ”যোগশিক্ষা, বৈদিক ও ঐশ্বরিক অনুশীলনের মাধ্যমে একটি আধ্যাত্মিক রাষ্ট্র তৈরি করতে চাই। আমার উদ্দেশ্য আধ্যাত্মিক ভারত ও আধ্যাত্মিক বিশ্ব নির্মাণ। এটাই বতর্মানে আমাদের পাখির চোখ।”-- বলেন তিনি। পরে মাদুরাই থেকে রামেশ্বরম গিয়েও একই কথা সংবাদমাধ্যমকে জানান তিনি। বলেন, ''যে রাজনৈতিক সঙ্কট ও অস্থিরতা আমি দেখছি সেটা ভারতের জন্য ভাল নয়।” রামদেব দাবি করেন তাঁর কোনও ধর্মীয় ও রাজনৈতিক আগ্রাসন নেই। প্রতিটি রাজ্যে তিনি বিনামূল্যে যোগব্যায়ামের অনুষ্ঠানের আয়োজন করছেন। রামদেব স্মরণ করিয়ে দেন, যোগা নির্দিষ্ট কোনও ধর্মের জন্য নয়, বরং এটা একটা বিজ্ঞান ও বৈজ্ঞানিক জীবনশৈলী যা মানুষকে আত্মোপলব্ধির পথে চালিত করে।

```