বাড়ি ফিরতে থানের বাস স্ট্যান্ডে দেড় কিলোমিটার লম্বা লাইন পরিযায়ী শ্রমিকদের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সবার একটাই লক্ষ্য। যেভাবে হোক বাড়ি ফিরতে হবে। আর তাই মহারাষ্ট্রের থানেতে বাস স্ট্যান্ডে পড়েছে লম্বা লাইন। যত না শ্রমিক বাসে উঠতে পারছেন, তার থেকে বেশি শ্রমিক এসে লাইন দিচ্ছেন। সোমবার এই লাইন হয়ে গিয়েছে দেড় কিলোমিটার লম্বা।
শেষ আপডেট: 18 May 2020 14:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সবার একটাই লক্ষ্য। যেভাবে হোক বাড়ি ফিরতে হবে। আর তাই মহারাষ্ট্রের থানেতে বাস স্ট্যান্ডে পড়েছে লম্বা লাইন। যত না শ্রমিক বাসে উঠতে পারছেন, তার থেকে বেশি শ্রমিক এসে লাইন দিচ্ছেন। সোমবার এই লাইন হয়ে গিয়েছে দেড় কিলোমিটার লম্বা।
ট্রেন ছাড়াও বাসে করে নিজেদের রাজ্যে পাঠানো হচ্ছে পরিযায়ী শ্রমিকদের। আর সবথেকে বেশি শ্রমিকের ভিড় দেখা গিয়েছে মহারাষ্ট্রেই। প্রতিদিনই ছত্রপতি শিবাজি টার্মিনাস স্টেশনের বাইরে দেখা যাচ্ছে লম্বা লাইন। কিন্তু যাঁদের বাড়ি কাছের রাজ্যে তাঁদের বাসে করেই পাঠানোর বন্দোবস্ত করেছে উদ্ধব ঠাকরে সরকার। সেইমতো লাইন দিতে হচ্ছে তাঁদের।
এই দৃশ্য দেখা গিয়েছে থানেতে। সোমবার সকালে বাড়ি ফেরার জন্য রবিবার রাত থেকেই লাইন দিয়েছেন শ্রমিকরা। কেউ কেউ লাইন রেখেই ফুটপাতে বসে কিছুটা জিরিয়ে নিচ্ছেন। তেমনই এক শ্রমিক জানালেন, রবিবার রাত ১০টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়েছেন তিনি। কিন্তু লাইন নাকি এগোচ্ছেই না।
সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে একটি বাসে করে ২২ জন শ্রমিককে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার। আর তাই একটা বাস আসার পরে শ্রমিকদের পরীক্ষা করে সেই বাসে তুলে তা ছাড়ার পরে আর একটি বাস আসছে। এই প্রক্রিয়ায় সময় লাগছে।
এক শ্রমিক জানিয়েছেন, তিনি মধ্যপ্রদেশের জৌনপুরে যাবেন। থানে থেকে বাসে করে তাঁদের মধ্যপ্রদেশ সীমান্তে নামিয়ে দেওয়া হবে। তারপর সেখান থেকে অন্য বাসে করে তাঁদের গ্রামে নিয়ে যাওয়া হবে। বাড়ি যাওয়ার জন্য আধার কার্ড ও অন্যান্য তথ্যও প্রশাসনকে জানাতে হচ্ছে শ্রমিকদের।
আর একজন শ্রমিক জানিয়েছেন, বাসের ব্যবস্থা হয়েছে শুনে রবিবার সন্ধেবেলা এসেছেন তিনি। কিন্তু তখনও পর্যন্ত উঠতে পারেননি বাসে। যদিও অপেক্ষা করতে কোনও সমস্যা নেই বলেই জানাচ্ছেন তাঁরা। শ্রমিকদের বক্তব্য, কোনও রকমে বাড়ি ফিরতে চান তাঁরা। এমনিতেই খাবার-আশ্রয়ের অভাবে দিন কাটছে তাঁদের। সেইসঙ্গে রয়েছে সংক্রমণের ভয়। তাই এই অপেক্ষা করা বা লাইন দেওয়াতে কোনও অসুবিধা হচ্ছে না তাঁদের। একবার বাসে উঠতে পারলেই সব ক্লান্তি মিটে যাবে বলেই জানিয়েছেন তাঁরা।