স্বামীর থেকে ১০ লক্ষ টাকা চুরি করে পালালেন স্ত্রী, বমাল পুলিশের জালে
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্বামীর মদ্যপানের অভ্যাসে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন স্ত্রী। আর তাই পরিকল্পনা করেছিলেন স্বামীর টাকা চুরি করে চম্পট দেবেন। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না। বমাল ধরা পড়ে গেলেন পুলিশের হাতে।
ঘটনাটি হায়দ্রাবাদের সেকেন্দ্রাবাদের রেজিমেন্টাল বা
শেষ আপডেট: 24 November 2018 07:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্বামীর মদ্যপানের অভ্যাসে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন স্ত্রী। আর তাই পরিকল্পনা করেছিলেন স্বামীর টাকা চুরি করে চম্পট দেবেন। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না। বমাল ধরা পড়ে গেলেন পুলিশের হাতে।
ঘটনাটি হায়দ্রাবাদের সেকেন্দ্রাবাদের রেজিমেন্টাল বাজারের। পুলিশ সূত্রে খবর, সেকেন্দ্রাবাদের রেজিমেন্টাল বাজারে স্ত্রী সুনীতা ও তিন মেয়েকে নিয়ে ভাড়া থাকেন বেনুগোপাল। বেনুগোপালের মদ খাওয়ার অভ্যাস অশান্তি ডেকে এনেছিল এই সংসারে। প্রায়ই এই নিয়ে ঝগড়া হতো বেনুগোপাল ও সুনীতার মধ্যে। এমনকী মদ্যপ অবস্থায় এসে বেনুগোপাল তাঁর গায়ে হাত পর্যন্ত তুলতেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
আর এ সবের থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য একটা পরিকল্পনা করেন সুনীতা। তিনি ঠিক করেন, স্বামীর টাকা চুরি করে মেয়েদের নিয়ে বাড়ি ছেড়ে অনেক দূরে চলে যাবেন। এই পরিকল্পনায় তিনি তাঁর দুই দেওর সাই ও শিবাকে রাজি করান বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরিকল্পনা মতো দীপাবলির সময় বেনুগোপাল বাবা-মার সঙ্গে দেখা করতে গেলে ফাঁকা বাড়ি থেকে সাই ও শিবা ১০ লক্ষ ৫৯ হাজার টাকা ও সোনার গয়না চুরি করেন। তারপর তা তুলে দেন সুনীতার হাতে। টাকা পেয়ে মেয়েদের নিয়ে সুনীতা নিজের বাপের বাড়ি চলে আসেন।
এ দিকে প্রতিবেশীরা চুরির ঘটনা জানতে পেরে খবর দেন বেনুগোপালকে। বেনুগোপাল এসে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ দেখে চুরির ঘটনার পর থেকে সুনীতা ও মেয়েদের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতিবেশীরাও পুলিশকে জানান, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। তখনই পুলিশের সন্দেহ গিয়ে পড়ে সুনীতার উপর। তাঁর মোবাইল লোকেশন দেখে পুলিশ জানতে পারে সুনীতা পুনের কাছাকাছি কোথাও আছেন।
সেখান থেকেই ৩১ বছরের সুনীতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশের জেরার মুখে নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেন সুনীতা। তাঁর কাছ থেকে ৮ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকা ও সোনার গয়না উদ্ধার হয়। দেওর সাইকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কিন্তু শিবা পলাতক। তাঁর খোঁজ করছে পুলিশ।