Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
প্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরা

ডাইনোসরের ডিম! ঠিক যেন সাদা পিংপং বল, নরম খোলস কচ্ছপের মতো, নতুন খোঁজ বিজ্ঞানীদের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: একেবারে নরম খোলা। ডিম তো নয় যেন সাদা পিংপং বল। তার খোলা আবার কাগজের থেকেও বেশি পাতলা, নরম, ভঙ্গুর। না কচ্ছপের ডিমের কথা হচ্ছে না। তবে আকারে ও গঠনে কচ্ছপের ডিমকেই মনে করায় বেশ খানিকটা। এই ডিম ডাইনোসরের। তাও আবার জুরাসিক জুগে

ডাইনোসরের ডিম! ঠিক যেন সাদা পিংপং বল, নরম খোলস কচ্ছপের মতো, নতুন খোঁজ বিজ্ঞানীদের

শেষ আপডেট: 18 June 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: একেবারে নরম খোলা। ডিম তো নয় যেন সাদা পিংপং বল। তার খোলা আবার কাগজের থেকেও বেশি পাতলা, নরম, ভঙ্গুর। না কচ্ছপের ডিমের কথা হচ্ছে না। তবে আকারে ও গঠনে কচ্ছপের ডিমকেই মনে করায় বেশ খানিকটা। এই ডিম ডাইনোসরের। তাও আবার জুরাসিক জুগের দুই পেল্লায় ডাইনোসর প্রোটোসেরাটোপস (Protoceratops) এবং মুসরাসের (Mussaurus) ।  জীবাশ্ম বিশ্লেষণ করতে গিয়ে এমন খোঁজ পেলেন আমেরিকান মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রি ও ইয়েল ইউনিভার্সিটির গবেষকরা। ‘নেচার’ জার্নালে এই গবেষণার রিপোর্ট সামনে এসেছে গতকাল, বৃহস্পতিবার। ডাইনোসরের ডিম নিয়ে গবেষণা নতুন নয়। ২০ বছর ধরে বিভিন্ন প্রজাতির ডাইনোসর ও তাদের ডিম নিয়ে গবেষণা চলছে, জানিয়েছেন মিউজিয়ামের প্যালিওন্টোলজি বিভাগের গবেষক মার্ক নোরেল। তাঁর কথায়, আকাশে উড়তে পারত এমন অ্যাভিয়ান ডাইনোসর ও নন-অ্যাভিয়ান অর্থাৎ যাদের চলাফেরা ছিল মাটিতে, দুই রকম প্রজাতির ডাইনোসরদের ডিমের জীবাশ্ম নিয়ে গবেষণা চলছে। এই খোঁজ প্রথম। প্রোটোসেরাটোপসের মত আকারে ও আয়তে বিশাল ডাইনোসরের ডিম যে এমন হতে পারে, সেটা ধারণারও বাইরে ছিল। প্রোটোসেরাটোপসের নাকের কাছে খড়্গ রয়েছে, অনেকটা বর্তমান পৃথিবীর গন্ডারের মতো। প্রায় সাড়ে সাত কোটি বছর আগে এরা পৃথিবীতে দাপিয়ে বেড়াত। আর মুসরাস হল বিশাল উচ্চতার তৃণভোজী ডাইনোসর যাদের গলাটা জিরাফের থেকেও বেশি লম্বা। উচ্চতা প্রায় ২০ ফুটের কাছাকাছি। ২০-২২ কোটি বছর আগে এখন দক্ষিণ মেরুতে ছিল এদের বাস। স্টিভেন স্পিলবার্গের ‘জুরাসিক পার্ক’ সিনেমায় এই ডাইনোসরের দেখা মিলেছিল। এবার আসা যাক ডিমের প্রসঙ্গে। প্রোটিনের তৈরি এগসেল বা ডিমের খোলা বা পর্দা অত্যন্ত নরম। কচ্ছপ বা গিরগিটি, সাপের মতো সরীসৃপের এমন ডিম দেখা যায়। জীবাশ্ববিদরা বলছেন, এই দুই বিশাল ডাইনোসরের ডিম আরও বেশি নরম ছিল। ইয়েল ইউনিভার্সিটির জিওফিজিক্স বিভাগের গবেষক জাসমিনা ওয়েইম্যান বলেছেন, জীবাশ্ম বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে কোনও কোনও ডিম আবার ফুটে গিয়ে শাবকও বেরিয়েছিল। সেই ডিমের খোলার রাসায়নিক বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তার মধ্যে কোনও খনিজ উপাদানই নেই। অর্থাৎ ভ্রুণকে ঢেকে রাখার জন্য একটা নরম আবরণী রয়েছে মাত্র। গবেষকরা বলছেন, এই ডিমগুলোকে মাটির ভেতরে যত্ন করে রেখে দিত ডাইনোসররা। প্রতি মুহূর্তে ডিমগুলিতে আর্দ্র রাখার প্রয়োজন হত। মোন্টানা স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষক ডেভিড ভ্যারিকিও বলছেন, এই ডিমের রাসায়নিক বিশ্লেষণ করে সে যুগের ১১২টি বিলুপ্ত প্রাণীর খোঁজ মিলবে যার ওই দুই প্রজাতির ডাইনোসরের সমগোত্রীয় ছিল। খোঁজ পাওয়া যাবে অনেক মিসিং লিঙ্কেরও। জীবাশ্ম বিজ্ঞানের গবেষণায় একটা নতুন দিক খুলে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

```