Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
প্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরা

রবিবারের পর ১৩ টি শহরে আরও কড়া বিধিনিষেধ, নজরদারি

দ্য ওয়াল ব্যুরো : আগামী রবিবার শেষ হচ্ছে লকডাউনের চতুর্থ দফা। কেন্দ্রীয় সরকার এখন চিন্তাভাবনা করছে ‘এক্সিট স্ট্র্যাটেজি’ নিয়ে। অর্থাৎ লকডাউনের পরে যাতে সংক্রমণ না বাড়ে সেজন্য কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা নিয়ে সরকারের নানা স্তরে আলোচনা চলছে। এক

রবিবারের পর ১৩ টি শহরে আরও কড়া বিধিনিষেধ, নজরদারি

শেষ আপডেট: 30 May 2020 07:53

দ্য ওয়াল ব্যুরো : আগামী রবিবার শেষ হচ্ছে লকডাউনের চতুর্থ দফা। কেন্দ্রীয় সরকার এখন চিন্তাভাবনা করছে ‘এক্সিট স্ট্র্যাটেজি’ নিয়ে। অর্থাৎ লকডাউনের পরে যাতে সংক্রমণ না বাড়ে সেজন্য কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা নিয়ে সরকারের নানা স্তরে আলোচনা চলছে। একটি সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে, রবিবারের পরে ১৩ টি শহরে কড়া বিধিনিষেধ চালু করা হতে পারে। কারণ দেশে যতজন কোভিড ১৯ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁদের ৭০ শতাংশই ওই ১৩ টি শহরের বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকার বিভিন্ন রাজ্যের প্রতিনিধির সঙ্গে দু’টি বৈঠক করে। তাতেই এই ইঙ্গিত মেলে। প্রথম বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সচিব রাজীব গৌবা। দ্বিতীয় বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রসচিব অমিত শাহ। এদিন কেন্দ্রীয় সরকার একদফা নতুন গাইডলাইন ইস্যু করেছে। তাতে বলা হয়েছে, প্রয়োজনমতো কোনও রাজ্য সরকার কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারবে। কিন্তু তাদের কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশিকা মেনেই কাজ করতে হবে। শহরে করোনা সংক্রমণ রোধের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার যে নির্দেশিকা দিয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, কতজন আক্রান্ত হচ্ছেন, মৃতের সংখ্যা কত, কতদিনে আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হচ্ছে, প্রতি ১০ লক্ষ মানুষের মধ্যে কতজনকে টেস্ট করা হয়েছে, তার হিসাব রাখতে হবে। একইসঙ্গে বলা হয়েছে, শহরে কনটেনমেন্ট জোন ও বাফার জোনগুলির ম্যাপ তৈরি করতে হবে। কনটেনমেন্ট জোনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ করতে হবে কোনও করোনা রোগী আছেন কিনা। কীভাবে টেস্ট করতে হবে, তাও কেন্দ্রের নির্দেশিকায় বলে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ভারতে করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল ১ লক্ষ ৬৫ হাজার। তার মধ্যে মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, গুজরাত, দিল্লি, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও অন্ধ্রপ্রদেশের মতো রাজ্যেই সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি। গত ১৫ দিনে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে দ্রুত হারে। ১৩ মে অবধি দেশে ৭৫ হাজার মানুষ ওই রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। গত কয়েকদিনে বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশার মতো ছোট রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজীব গৌবা বলেন, “মহারাষ্ট্র, গুজরাত, কর্নাটক ও অন্ধ্রপ্রদেশের মতো যে রাজ্যগুলি কোভিডের হটস্পট সেখান থেকে অনেকে পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ফিরেছেন। তাই সেখানে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।” পরে তিনি বলেন, “পরিযায়ী শ্রমিকদের সংখ্যা ছিল বিপুল। সবাইকে রেল স্টেশনে বা বাসে ঠিকমতো পরীক্ষা করা হয়নি। তাই এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে রোগ ছড়িয়ে পড়েছে।”

```