
শেষ আপডেট: 15 August 2023 18:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সংঘাতের আবহেও বজায় থাকল পুরনো প্রথা, রাজনৈতিক সৌজন্য। স্বাধীনতা দিবসের বিকেলে রাজভবনে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের চা চক্রে (tea party) যোগ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ রাজ্য সরকারের একাধিক মন্ত্রী, আমলা ও পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের অন্যতম মুখপাত্র কুণাল ঘোষও (Kunal Ghosh)। পঞ্চায়েত ভোটের হিংসা থেকে শুরু করে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ—একাধিক বিষয়েই রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত বেঁধেছে। দলের মুখপাত্র হিসাবে কুণালও রাজ্যপালকে বিঁধেছেন সংবাদমাধ্যমে। তবে সেই সবকিছু পেরিয়ে ১৫ অগস্টের বিকেলে এক রাজনৈতিক সৌজন্যের সাক্ষী থাকল রাজভবন (Rajbhavan)।
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর যত দিন গিয়েছে ততই সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে রাজ্য সরকারের সম্পর্কের গ্রাফ নিম্নমুখী। রাজ্যের একাধিক ইস্যু নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে শাসকদল তৃণমূলের বিরোধ চরমে পৌঁছয়। রাজ্যপালের যে কোনও পদক্ষেপ নিয়ে প্রায়দিনই তাঁকে নিশানা করেন দলের নেতা-মন্ত্রী থেকে শুরু করে মুখপাত্ররা। মদন মিত্র থেকে ফিরহাদ হাকিম, কুণাল ঘোষকেও তেমন একাধিকবার রাজ্যপালের কাজ নিয়ে সমালোচনায় মুখর হতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু স্বাধীনতা দিবসের বিকেলে সেই বিরোধিতা একেবারে উধাও।
প্রতিবছরের মতো এবারও পুরনো রীতি মেনেই রাজ্যপালের আয়োজন করা চা চক্রে হাজির হলেন তাঁরা। বুঝিয়ে দিলেন, এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও ব্যাপার নেই। মুখ্যমন্ত্রী তো বটেই, এদিন চা চক্রে রাজ্যপালের সঙ্গে কুণালকেও বেশ খোশমেজাজে দেখা গিয়েছে। আনন্দ বোস ও কুণাল একে অপরের সঙ্গে করমর্দন করে বেশ খানিকক্ষণ একান্তে আলাপচারিতা সারেন। পুরো সময়টাই বেশ হাসিখুশি ছিলেন দু’জনই। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের প্রশ্ন, এতকিছুর পরেও কি রাজ্য-রাজ্যপাল সম্পর্কের বরফ গলবে?
যাদবপুর কাণ্ডে স্থায়ী উপাচার্য না থাকাকেই দায়ী করছেন রাজ্যপাল, বুধবার ডাকলেন জরুরি বৈঠক