
ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 4 December 2024 22:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এবার একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে গাফিলতির জেরে হাওড়া থানার আইসিকে সশরীরে হাজিরার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের অন্য থানাগুলির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুললেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ।
ঘটনার সূত্রপাত হয় কিছুদিন আগে। দুই ভাইয়ের ব্যবসায়ীক বিবাদকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে একাধিক মামলা মোকদ্দমা হয়েছে। নিউমার্কেট থানা ও বউবাজার থানায় একাধিক মামলা, পাল্টা মামলাও হয়েছে। ব্যবসার কপি রাইটকে কেন্দ্র করে বিবাদ এর আগে হাইকোর্ট পর্যন্তও গড়িয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পৃথক একটি মামলার বিচারাধীন রয়েছে এখনও।
এরই মধ্যে মহম্মদ বারিক নামের এক ভাইয়ের অভিযোগ, শত্রুতার জেরে তাঁর পোশাকের দোকানে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে মহম্মদ আরিফ। যার জেরে মহম্মদ বারিকের মোট আট লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, হাওড়ার ১৯ নম্বর নিত্যধন মুখার্জি রোডে থাকা দোকানে ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে আগুন লাগে। ঘটনার পরই হাওড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করলেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। কোনওরকম তদন্তও হয়নি সেসময়।
বুধবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে যাবতীয় অভিযোগ তুলে ধরেন মামলাকারীর আইনজীবী। এরপরই সরকারি আইনজীবীর কাছ থেকে তদন্তের গতি প্রকৃতি জানতে চান বিচারপতি ঘোষ। তিনি প্রশ্ন করেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে কি কোনও নমুনা সংগ্রহ হয়েছে? উত্তরে, সরকারি আইনজীবী জানান, সেই কাজ এখনও বাকি আছে। এরপরই হাওড়া থানার ভূমিকায় উষ্মা প্রকাশ করে সরাসরি আইসিকে সশরীরে হাজিরার নির্দেশ দেন বিচারপতি।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টে নাগাদ তাঁকে এজলাসে হাজির থাকতে হবে। হাওড়া থানা ছাড়াও এই কমিশনারেটের অন্য থানাগুলির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতি।