দ্য ওয়াল ব্যুরো: মকর সংক্রান্তিতে হেরে বিরাট কোহলি খেলা শেষে দলের ব্যাটসম্যানদের ঘাড়ে দোষ চাপিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমাদের দলের ব্যাটিং কখনই সিরিজ জয়ের মতো হয়নি। আমরা সুযোগই নিতে পারেনি। রাহানে ও পূজারা নিয়েও ভারত অধিনায়কের যুক্তি, কারা দলে আসবে, থাকবে, সেটি আমার কাজ নয়, ওটা দেখছেন নির্বাচকরা। দুই সিনিয়র ক্রিকেটারের ভুল প্রকাশ্যে ধরতে নারাজ দলনেতা।
মাঠের বাইরে বিতর্ক থেকে দূরে হাঁটলেও মাঠে ভালই বিতর্ক বাধান কোহলি। দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংসের ২৭তম ওভারে রবিচন্দ্রন অশ্বিন বোলিং করছিলেন ডিন এলগারের বিরুদ্ধে। অশ্বিন ভাবেন তিনি এলগারকে আউট করে দিয়েছেন। আম্পায়ার মারাইস ইরাসমাসও এলগারকে আউট দিয়ে দেন। কিন্তু এলগার আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ডিআরএস নেন এবং সফল হন। তারপরেই চটে যান ভারত অধিনায়ক।
ভারতীয় দলের একাধিক ক্রিকেটার স্টাম্প মাইকের কাছে গিয়ে ডিআরএস নিয়ে অভিযোগ জানাতে থাকেন। এই ঘটনা ক্রিকেটে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে। বলা হচ্ছে, এইভাবে কোনও বিষয় নিয়ে প্রতিবাদ জানানো ঠিক পথ নয়। কিন্তু কে শোনে কার কথা! দলনেতার দেখাদেখি সবাই প্রায় এ টা করতে থাকেন। কোহলি স্টাম্পের কাছে মুখ নিয়ে বলেন, ‘‘দারুণ ডিআরএস, খুব ভাল খেলেছ।’’
লোকেশ রাহুল একইভাবে বলেছেন, ‘‘গোটা দেশ খেলছে ১১ জনের বিরুদ্ধে।’’ অশ্বিন আবার এই ঘটনায় সম্প্রচার সংস্থাকে দায়ী করেছেন। তিনি মাইক্রোফোনের কাছে মুখ নিয়ে বলে আসেন, ‘‘অন্য ভাবে জেতার পথ খোঁজা উচিত সুপারস্পোর্টের।’’
আইসিসি এগুলি দেখেছে, তাদের ম্যাচ রেফারি বেসরকারীভাবে সতর্ক করে দিয়েছে কোহলিকে। তারা বিষয়টিকে টানতে রাজি নয়। খেলা শেষে কোহলিও আর কোনও কথা বাড়াননি এটা নিয়ে। যদিও পূজারার ক্যাচ মিস নিয়ে আক্ষেপ করেছেন অনেকেই। বলেছেন, যদি পিটারসেনের ক্যাচ ওইসময় ধরা যেত, তা হলে বিপক্ষ দল বেকায়দায় পড়তে পারত।
কোহলির এই রিভিউ বিতর্ক নিয়ে আবার মুখ খুলেছেন গৌতম গম্ভীর। তিনি জানান, ‘‘কোহলি মাঠে যা আচরণ করছে, তাতে নয়া প্রজন্ম ওকে আইডল বলে মানতে চাইবে না। অপরিণত স্বভাব দেখাচ্ছে।’’