
নিজস্ব ছবি
শেষ আপডেট: 11 April 2025 19:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যোগ্য প্রার্থী কারা আর অযোগ্যই বা কারা তা নাকি ২১ এপ্রিল তালিকা প্রকাশ করে জানিয়ে দেবে সরকার। শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu) ও এসএসসি (SSC) চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদারের সঙ্গে বৈঠক করে বেরিয়ে এসে এমনই দাবি জানালেন চাকরিহারা শিক্ষকরা (SSC Job Deprived)।
শুক্রবার বিকেলে শিক্ষামন্ত্রী ও এসএসসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে চাকরিহারা প্রার্থীদের প্রতিনিধি দলের দীর্ঘ বৈঠক হয়। সেই বৈঠক থেকে বেরিয়ে এসে প্রতিনিধি দলের তরফে মহম্মদ মেহবুব বলেন, শিক্ষা মন্ত্রী ও স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান তাঁদের জানিয়েছেন, যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের পৃথক করা সম্ভব। সেই কাজ এসএসসি শুরু করেছে বলে জানিয়েছে। চেয়ারম্যান এও জানিয়েছেন, ২০ এপ্রিল রবিবারের মধ্যে সেই তালিকা তৈরির কাজ শেষ হবে। তার পর আইনি পরামর্শ নিয়ে সোমবার তালিকা প্রকাশ করার চেষ্টা করবেন তাঁরা।
পরে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, “হ্যাঁ প্রতিনিধি দলের মূল দাবি ছিল যোগ্য ও অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করা। এ ব্যাপারে সিবিআই একটা তালিকা তৈরি করেছিল। স্কুল সার্ভিস কমিশনও তা তিন বার সুপ্রিম কোর্টে পেশ করেছে। আমরা আইনি পরামর্শ নিচ্ছি। আশা করছি ২ সপ্তাহের মধ্যে তা প্রকাশ করে দিতে পারব”।
বৈঠকের পর ওই প্রতিনিধি দলের তরফে সাংবাদিকদের বলা হয়, তাঁদের যা যা বক্তব্য ছিল তার সবগুলোই তাঁরা বৈঠকে বলার সুযোগ পেয়েছেন। সরকারের তরফে সেই সুযোগ তাঁদের দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রী ও এসএসসি চেয়ারম্যান তাঁদের পরিষ্কার জানিয়েছেন, ওএমআর শিটের মিরর ইমেজ তাঁদের কাছে নেই। তাই তাঁরা তা প্রকাশ করতে পারবেন না। তবে সিবিআই কিছু মিরর ইমেজ উদ্ধার করতে পেরেছে। আইনি পরামর্শ নিয়ে এবং আদালত অনুমতি দিলে তাঁরা সেটি প্রকাশ করতে পারবেন।
চাকরিহারা শিক্ষকদের মধ্যে আরও একটি বড় উৎকন্ঠার বিষয় হল, তাঁরা বেতন পাবেন কিনা! এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে, চাকরিহারা শিক্ষকদের প্রতিনিধিরা বলেন, সরকার যে কোনও স্পষ্ট উত্তর দিয়েছে এমন নয়। এ ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের একটা নির্দেশ রয়েছে। তবে স্যালারি পোর্টাল খুলে গিয়েছে। এটা ইতিবাচক। সরকার জানিয়েছে, এ বিষয়ে আইনি পরামর্শ নেওয়া হবে।
চাকরিহারা শিক্ষকদের প্রতিনিধি মহম্মদ মেহবুব বলেন, আমরা আশা করছি বেতন পাওয়া যাবে। তিনি আরও বলেন, সরকারের সঙ্গে বৈঠকে তাঁরা যে খুব আশ্বস্থ তা বলা যাবে না। তবে আংশিক আশ্বস্থ তো বটেই। কারণ, তাঁদের দাবি দাওয়াগুলি শিক্ষা মন্ত্রী ও এসএসসি চেয়ারম্যান ধৈর্য্য ধরে শুনেছেন।