
শেষ আপডেট: 21 February 2024 11:10
দ্য কলকাতা ব্যুরো: বুধবার সকাল থেকে কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় ইডির অভিযান। সাইবার প্রতারণা মামলায় অভিযানে নেমেছে ইডি। বেনিয়াপুকুর, বাগুইআটি সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অভিযান চালাচ্ছে।। বেনিয়াপুকুরে এবং বাগুইআটি এলাকায় তল্লাশি অভিযান চলছে।
সূত্রের খবর, হাজার কোটি টাকার সাইবার প্রতারণা মামলায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। জানা গেছে, সাতসকালে ১১ নম্বর বেনিয়াপুকুরের তাঁতিবাগান লেনে হানা দেন ইডির অফিসাররা। ভুয়ো কল সেন্টার খুলে প্রতারণা করার অভিযোগে কুণাল গুপ্ত নামে একজনকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। তদন্তকারীরা জানাচ্ছে, এই কুণালই নানা জায়গায় ভুয়ো কল সেন্টার খুলে সাইবার প্রতারণা করত। হাজার হাজার কোটি টাকা লুঠ করেছে সে। তাকে জেরা করেই এদিন বেনিয়াপুকুর, বাগুইআটি-সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
বেনিয়াপুকুরে কুণাল গুপ্তর ঘনিষ্ঠ শোয়েব আলমের বাড়িতে আজ হানা দিয়েছিল ইডি। তদন্তকারী অফিসাররা বলছেন, এই শোয়েব হল কুণালের ডান হাত। এর সঙ্গে মিলেই সাইবার প্রতারণার ব্যবসা খুলে বসেছিল কুণাল। বহু লোকজনকে ঠকিয়ে কোটি কোটি টাকা তুলেছিল। বিধাননগর সাইবার থানায় প্রথম এমন সাইবার প্রতারণার অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্ত শুরু হয়। পরে সেই তদন্তভার এসে পৌঁছয় ইডির কাছে। কুণালকে দফায় দফায় জেরা করে গ্রেফতার করে ইডি।
উল্লেখ্য, সোমবার গরুপাচার মামলায় ধৃত অনুব্রত মণ্ডলের বোলপুরের কার্যালয়ে হানা দেয় ইডি। ওই কার্যালয়েই বসতেন অনুব্রত মণ্ডল। গরুপাচার মামলায় অনুব্রতর বিরুদ্ধে যে সমস্ত অভিযোগ রয়েছে, সে বিষয়ে নিচুপট্টির ওই অফিসে হানা দেয় ইডি। বোলপুরের বিএলআরও অফিসে যান আধিকারিকরা। সেখানে তাঁরা বিএলআরও-র সঙ্গে কথা বলেন।
এর আগে মঙ্গলবারও রাজ্যে একাধিক জায়গায় হানা দেয় ইডি। কলকাতা ও হাওড়ায় একাধিক জায়গায় তল্লাশি চলে। হাওড়ার সাঁকরাইলের ডেল্টা জুটমিল, সেই জুটমিলের বালিগঞ্জের একটি বাড়িতে এবং কলকাতার কাউন্সিল হাউস স্ট্রিটে ওই জুটমিল সংস্থার একটি অফিসে পৌঁছে যান কর্তারা। ভুয়ো ডিরেক্টর নিয়োগের একটি মামলাতেই ওই তল্লাশি হয় বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে।