
শেষ আপডেট: 3 June 2020 18:30
রেফারেন্স সেন্টার ফর স্পেশাল ইমিউনোবায়োলজিক্যালস (CRIE)-এর কোঅর্ডিনেটর লিলি ওয়েক্স বলেছেন, দেশের করোনা গ্রাফ বেড়েই চলেছে। সংক্রমণ রুখতে না পারলে মৃত্যু আরও বাড়বে। সাও পাওলোতেই আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। দেশে করোনা সংক্রমণের ভরকেন্দ্র হয়ে উঠেছে সাও পাওলো। সেখান থেকেই কোভিড ট্রায়ালের জন্য হাজারজনকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
অক্সফোর্ডের ভাইরোলজিস্ট সারা গিলবার্টের টিমের তৈরি ভেক্টর ভ্যাকসিনের ক্নিনিকাল ট্রায়াল রেসাস প্রজাতির বাঁদরের উপর ব্যর্থ হয়েছে। এই বাঁদরের শরীরে কোভিড সংক্রমণ রুখতে না পারলেও নিউমোনিয়া প্রতিরোধ করেছে এই ভ্যাকসিন। মানুষের শরীরে কীভাবে এই ভেক্টর ভ্যাকসিনের প্রয়োগ সফল হবে সেই নিয়ে বৃহত্তর গবেষণা চলছে অক্সফোর্ডে। গবেষণার নেতৃত্বে রয়েছেন ভাইরোলজিস্ট সারা গিলবার্ট, অধ্যাপক অ্যান্ড্রু পোলার্ড, টেরেসা লাম্বে, ডক্টর স্যান্ডি ডগলাস ও অধ্যাপক অ্যাড্রিয়ান হিল। অ্যাস্ট্রোজেনেকার সঙ্গে হাত মিলিয়ে নতুন করে ভ্যাকসিনের ডিজাইন করছে অক্সফোর্ড। শুরুতে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন ক্যানডিডেটের নাম ছিল ChAdOx1 nCoV-19। বর্তমানে এর নয়া ভার্সনের নাম হয়েছে AZD1222।
ব্রাজিলের স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, দেশে অ্যাস্ট্রোজেনেকার ইউনিটে তৈরি হচ্ছে এই ভ্যাকসিন ক্যানডিডেট। তত্ত্বাবধানে রয়েছে অক্সফোর্ডের টিম। চলতি মাসেই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু হয়ে যাবে।
জন হপকিনস ইউনিভার্সিটির রিপোর্ট বলছে, ব্রাজিলে এখন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৮৪ হাজার ৫৬২। সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৩২ হাজারের বেশি। সংক্রমণের হার বৃদ্ধির জন্য প্রেসিডেন্ট জাইর বোলসোনারোর উপরেই দোষ চাপিয়েছেন অনেকে। অভিযোগ, শুরুতেই সতর্ক হলে এই পরিস্থিতি এড়ানো যেত। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শহর সাও পাওলোর আকাশ থেকে তোলা ছবিতে দেখা গিয়েছে, কবরস্থানগুলিতে সার দিয়ে মাটি খুঁড়ে জায়গা তৈরি করা হচ্ছে গণকবর দেওয়ার জন্য। ব্রাজিলের করোনা-পরিস্থিতি যে যথেষ্ট উদ্বেগজনক, তা স্বীকারও করেছে হু। সংস্থার ইমার্জেন্সিস ডিরেক্টর মাইক রায়ান বলেন, লাতিন আমেরিকার বহু দেশ জুড়ে করোনা-পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তার কারণ রয়েছে। তবে এই মুহূর্তে ওই অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ব্রাজিল।