
শেষ আপডেট: 19 October 2022 10:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিলকিস বেগমের (Bilkis Bano Case) যে ধর্ষকদের গুজরাত সরকার মুক্তি দিয়েছে, ছাড়া পাওয়ার আগে তারা গড়ে হাজার দিন করে জেলের বাইরে ছিল। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ওই আসামিদের মুক্তির সিদ্ধান্ত খারিজ করার আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) মামলা হয়েছে। সেই মামলায় গুজরাত সরকারের পেশ করা হলফনামায় ওই আসামিদের প্যারোলে হাজার দিনের বেশি জেলের বাইরে থাকার তথ্য জানানো হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্ট গুজরাত সরকারের ওই হলফনামায় সন্তুষ্ট হতে পারেনি। আদালতের বক্তব্য, হলফনামাটি তথ্য ভারাক্রান্ত। মূল আইনি বিতর্ক পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়েছে।
২০০২-এ গুজরাত দাঙ্গার সময় বিলকিসকে গণধর্ষণ ও তাঁর পরিবারের ১৪ জনকে হত্যার মামলার বিচার হয়েছিল মুম্বইয়ের বিশেষ সিবিআই আদালতে। সেই আদালত আসামিদের যাবজ্জীবন সাজা দেয়। পরে হাইকোর্ট সাজা বহাল রাখে। মুক্তি দেওয়ার আগে গুজরাত সরকার তাই হাইকোর্টের মতামত চায়। উচ্চ আদালত সায় দেয়নি।
তারপরও কীভাবে ধর্ষণ, খুনে অভিযুক্তদের মুক্তি দেওয়া হল সেই প্রশ্নই তুলেছে সর্বোচ্চ আদালত। এই বিষয়ে গুজরাত সরকারের হয়ে ব্যাট ধরেছেন কেন্দ্রের সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী। তাঁর বক্তব্য, আইন মেনেই পদক্ষেপ করেছে গুজরাত সরকার।
গুজরাত সরকারের বক্তব্য, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা জেলে ভদ্র আচরণ করলে ১৪ বছর পর তাদের মুক্তি দেওয়া যেতে পারে। হলফনামায় এই যুক্তিই পেশ করেছে তারা।
রাজ্য সরকারের হলফনামায় জানানো হয়েছে, ১১ আসামীর মধ্যে সবচেয়ে বেশিদিন, ১৫৭৬ দিন জেলের বাইরে ছিল আসামী রমেশ চান্দনা। ১৩৪৮ দিন প্যারোলে মুক্ত ছিল রাজুভাই সোনি। এক হাজার দিনের কম জেলের বাইরে ছিল মাত্র একজন, বাকাভাই বহনিয়া। সে প্যারোলে মুক্ত হয়ে ৯৯৮ দিন জেলের বাইরে কাটায়।
এ বছর ১৫ অগাস্ট ওই ১১ জনকে পুরোপুরি মুক্তি দিয়েছে গুজরাত সরকার। সেই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে কিনা ঠিক করবে সুপ্রিম কোর্ট।
বাংলার মন্ত্রীকে দিল্লির মন্ত্রী, ‘আমি শুধু স্বচ্ছতা বুঝি’, প্রদীপ জানালেন, দেখা করে সব বলবেন!