Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in

আন্দামানে নিজের বাংলোয় গণধর্ষণে অভিযুক্ত স্বয়ং মুখ্যসচিব! তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে বছর একুশের এক তরুণীকে মুখ্যসচিবের বাংলোয় হাজির করেছিল দালালেরা। মুখ্যসচিব এবং তাঁর অতিথি শ্রমসচিব, এক হোটেল মালিক এবং একজন পুলিশ অফিসার মিলে দু’দিন ধরে ধর্ষণ (Andaman Rape Case) করেন সেই তরুণ

আন্দামানে নিজের বাংলোয় গণধর্ষণে অভিযুক্ত স্বয়ং মুখ্যসচিব! তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

শেষ আপডেট: 27 October 2022 11:08

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে বছর একুশের এক তরুণীকে মুখ্যসচিবের বাংলোয় হাজির করেছিল দালালেরা। মুখ্যসচিব এবং তাঁর অতিথি শ্রমসচিব, এক হোটেল মালিক এবং একজন পুলিশ অফিসার মিলে দু’দিন ধরে ধর্ষণ (Andaman Rape Case) করেন সেই তরুণীকে।

অভাবনীয় এই অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে আন্দামানে (Andaman)। পোর্ট ব্লেয়ারের একটি থানায় তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় আদালত একটি বিশেষ তদন্ত দল বা সিট গঠন করে। মুখ্যসচিবকেও পদ থেকে সরিয়ে দেন আন্দামান নিকোবরের উপ-রাজ্যপাল। কিন্তু অভিযুক্ত অফিসার তদন্তে অসহযোগিতা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার খবরে আমলামহল বিস্মিত। মুখ্যসচিবের মতো শীর্ষ পদাধিকারীর বাংলোয় এমন ভয়াবহ ঘটনার দ্বিতীয় নজির কেউ মনে করতে পারছে না।

আজ কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ওই অফিসারকে আগামীকালের মধ্যে সিটের সামনে হাজির হতে বলেছে। সেই সঙ্গে দ্রুত তদন্ত শেষ করে চার্জশিট দাখিল করতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে উচ্চতর আদালত।

দিল্লি হাইকোর্ট আগেই ওই অফিসারের আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছিল। কলকাতা হাইকোর্ট ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত সেই আদেশ বহাল রেখেছে। ১৪ নভেম্বর পোর্ট ব্লেয়ারে কলকাতা হাইকোর্টের আন্দামান-নিকোবর সার্কিট বেঞ্চে শুনানি শুরু হবে।

অভিযুক্ত অফিসারের নাম জিতেন্দ্র নারায়ণ (Jitendra Narayan)। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশে ওই অফিসারকে আপাতত সাময়িক সাসপেন্ড করা হয়েছে। ২০২১-এর মার্চ থেকে জিতেন্দ্র আন্দামান ও নিকোবরের মুখ্যসচিব ছিলেন। অভিযোগ, তাঁর পোর্ট ব্লেয়ারের সরকারি বাংলোয় তরুণীকে সরকারি চাকরির লোভ দেখিয়ে আনা হয়। সেখানে চারজন মিলে দু’দিন ধরে অপকর্ম করে।

পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করলেও শীর্ষ পদাধিকারী হওয়ায় জিতেন্দ্র নারায়ণকে গ্রেফতার করা হয়নি। পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া মাত্র সে দিল্লির বাড়িতে চলে যায়। ফলে সিটের তদন্ত বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছিল। আজ কলকাতা হাইকোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ বিবেক চৌধুরী এবং প্রসেনজিৎ বিশ্বাস জিতেন্দ্রকে তাঁর আইনজীবী মারফত নির্দেশ দিয়েছে যে তাঁকে আগামীকালের মধ্যে সিটের সামনে হাজির হওয়ার জন্য।

অনুব্রত কালীপুজোয় চেয়ে পাননি, পছন্দের মেনু পেলেন ভাইফোঁটায়


```