Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in

বিহার-উত্তরপ্রদেশে বাজ পড়ে একদিনে মৃত অন্তত ১০৭! মারাত্মক বিপর্যয়ে বিধ্বস্ত দু'রাজ্য

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত ২৪ ঘণ্টায় বাজ পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি! সূত্রের খবর, কমপক্ষে ৮৩ জন মারা গেছেন বিহারে এবং উত্তরপ্রদেশে মৃত্যু হয়েছে ২৪ জনের! জানা গেছে, মৃতদের মধ্যে বেশিরভাগই মাঠে চাষের কাজ করছিলেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা

বিহার-উত্তরপ্রদেশে বাজ পড়ে একদিনে মৃত অন্তত ১০৭! মারাত্মক বিপর্যয়ে বিধ্বস্ত দু'রাজ্য

শেষ আপডেট: 25 June 2020 16:20

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত ২৪ ঘণ্টায় বাজ পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি! সূত্রের খবর, কমপক্ষে ৮৩ জন মারা গেছেন বিহারে এবং উত্তরপ্রদেশে মৃত্যু হয়েছে ২৪ জনের! জানা গেছে, মৃতদের মধ্যে বেশিরভাগই মাঠে চাষের কাজ করছিলেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিহারে বর্ষা শুরু হওয়ার আগে থেকেই বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রপাত-সহ ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। তাতেই একাধিক জায়গায় ঘটেছে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। বিহারের ৮৩ জন নিহতের মধ্যে ১৩ জনই গোপালগঞ্জ জেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। এ ছাড়া মধুবনী ও নবাদা জেলায় ৮ জন করে, ভাগলপুর ও সিওয়ানে ৬ জন করে এবং বাঁকা, দারভাঙা ও পূর্ব চম্পারণ জেলায় ৫ জন করে মারা গেছেন! এর বাইরে খাগরিয়া ও আওরঙ্গাবাদ জেলায় তিনজন করে, জহানাবাদ, কিষাণগঞ্জ, পশ্চিম চম্পারণ, যমুই, পূর্ণিয়া, সুপৌল, কাইমুর ও বাক্সারে দু’জন করে এবং সরণ, শিবহর, সমতীপুর, মধেপুরা ও সীতামারীতে ১ জন করে মারা গেছেন। উত্তরপ্রদেশেও ভারী বৃষ্টিপাত এবং বজ্রপাতে যে ২৪ জন মারা গিয়েছেন তাঁদের মধ্যে শুধু দেওরিয়া জেলায় 9 জনের মৃত্যু হয়েছে। কুশিনগর, উন্নাও, ফতেহপুরে ১ জন করে, দেওরিয়ায় ৯, বড়োবাঁকিতে ২, প্রয়াগরাজে ৬, আম্বেডকরনগরে ৩ এবং বলরামপুরে ১ জন মারা গিয়েছেন। বিহারের দ্বারভাঙায় মৃতদের মধ্যে তিন জন শিশুও রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এমনটা যে একেবারেই নতুন তা নয়। সংখ্যায় এত জনের মৃত্যু হওয়াটা বিরল হলেও, গত বছর এই বিহারেই বাজ পড়ে একদিনে ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ওই বছরই কয়েক দিন আগে-পরে বিহারেই বজ্রাপাতে ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। তবে, ২০১৬ সালের জুন মাসে এ রাজ্যে বাজ পড়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অন্ততপক্ষে ৫৭ জনের প্রাণ গিয়েছিল। সেই আতঙ্কের স্মৃতিই যেন ফিরে এল!
এ দেশে প্রতি বছরই বাজ পড়ে এমনই কয়েকশো মানুষ মারা যান নানা রাজ্যে। পড়শি দেশ ওড়িশাতেও এই সমস্যা ছিল। কিন্তু সে রাজ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতায় আগাম সতর্কবার্তার সিস্টেম শুরু করে  বজ্রপাতে মৃত্যু ৩১ শতাংশ কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে আগাম সতর্কবার্তা পাওয়ার পরেই যে এলাকায় বাজ পড়তে পারে, সেখানকার বাসিন্দাদের মোবাইলে এসএমএস পাঠিয়ে সাবধান করে দেওয়া হচ্ছে। বাজানো হচ্ছে সাইরেন। খোলা জায়গা থেকে সরে যাচ্ছেন বাসিন্দারা। বজ্রপাতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটত বাংলাদেশেও। কিন্তু সে দেশ শুধু ১০ লক্ষ তালগাছ লাগিয়েছে বাজ পড়া আটকাতে। থাইল্যান্ডও তালগাছ লাগিয়ে বজ্রপাতে মৃত্যু কমিয়ে এনেছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বজ্রপাত সাধারণত উঁচু কোনও কিছুতে আছড়ে পড়ে। সে ক্ষেত্রে তালগাছ ভাল বিকল্প। বাজ পড়ে গাছ জ্বলে গেলেও, মানুষ বেঁছে যান আশপাশে।

```